চীনে উৎপত্তি করোনাভাইরাসের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বব্যাপী। এ ভাইরাস নিয়ে বাংলাদেশও ঝুঁকিতেও আছে। তবে অযথা আতঙ্কিত না হয়ে সবাইকে সমন্বিতভাবে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) এবং বারসিক।
বুধবার পবা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘করোনা ভাইরাস: শঙ্কা ও করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এ পরামর্শ দেন।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, যত বেশি পরিবেশগত সংকট ও দূষণ তৈরি হচ্ছে, ততই এমন সব রোগ ও মহামারী বাড়ছে। পরিবেশ ও প্রকৃতিকে সংরক্ষণ করে সামগ্রিক উন্নয়ন না ঘটালে করোনার মতো সংকট সামাল দেওয়া ভবিষ্যতে আরো কঠিন হয়ে উঠবে।
পবার চেয়ারম্যান আবু নাসের খানের সভাপতিত্বে এবং বারসিকের ফেরদৌস আহমেদ উজ্জ্বলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মূল আলোচনা উত্থাপন করেন চিকিৎসক ও প্রিভেন্টিভ মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী।
সেমিনারে বক্তারা করোনা প্রতিরোধে ১৪টি পরামর্শ দেন।
এর মধ্যে রযেছে করোনাভাইরাস নিয়ে মানুষের ভেতর তৈরি হওয়া আতঙ্ক কমিয়ে এ ভাইরাস প্রতিরোধে সম্মিলিত পরিকল্পনা গ্রহণ, এ ভাইরাস নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ গণমাধ্যমে অযথা গুজব, সাম্প্রদায়িক বৈষম্যমূলক তথ্য ও আতঙ্ক ছড়ানো বন্ধ করে সত্যিকারের গঠনমূলক তথ্য-উপাত্ত পরিবেশন, চীনসহ বিদেশ থেকে যারা আসবেন এবং সেখানে যাবেন, তাদের ধারাবাহিক স্বাস্থ্যগত পরীক্ষা নিশ্চিত, চীনের সঙ্গে বাণিজ্য, পর্যটন, পড়াশোনা, চিকিৎসা, নির্মাণকাজ বন্ধ না করে পুরো প্রক্রিয়াকে ধারাবাহিক মনিটরিং, চীন বা বাইরে থেকে এসে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে, সেই তথ্য সরকারি হাসপাতাল বা এ বিষয়ে খোলা হটলাইনে জানানো, অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালের আউটডোরে না আনা, তার কাছে সেবাদানকারীদের যাওয়া দরকার, চিকিৎসাকেন্দ্র থেকে যেন কোনোভাবেই এই রোগ ছড়াতে না পরে, সেজন্য ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।