আশুলিয়ায় প্রবেশপত্র না পেয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর

সাভারের আশুলিয়ায় সময়মতো এসএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র না দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও প্রতিষ্ঠানপ্রধানের বাসভবনে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটের অভিযোগ উঠেছে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে আশুলিয়ার ইউনিক এলাকায় অবস্থিত টাঙ্গাইল রেসিডেনশিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের স্কুল শাখা, কলেজ শাখা এবং প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ আবদুল লতিফের বাসায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।

প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তাকর্মী আবদুল হক ও নুরুল ইসলাম জানান, দুপুরে ৩০ থেকে ৪০ জন যুবক মুখোশ পরে লাঠিসোঁটা নিয়ে প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর চালায়। পরে তারা কলেজ ভবনের সামনের কয়েকটি দোকানে ভাঙচুর ও লুট করে প্রতিষ্ঠান-প্রধানের বাসার দিকে যায়।

প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ আবদুল লতিফ বলেন, ২৮৮ পরীক্ষার্থীর মধ্যে গতকাল বেলা ৩টা পর্যন্ত ৯৯ জন প্রবেশপত্র না পাওয়ায় তারা ক্ষোভে ফুঁসে ওঠে। এর মধ্যে প্রতিষ্ঠানের সাবেক সভাপতি মাসুদ রানা বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী ও বহিরাগতদের দিয়ে আমার দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং বাসায় হামলা চালায়। তিনি আরও বলেন, গত ২১ জানুয়ারি এসএসসি পরিক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র এসেছে কেন্দ্র সচিবের কাছে। নিয়ম অনুযায়ী তিন দিনের মধ্যে সেগুলো বিতরণ এবং ভুল থাকলে সংশোধনের কথা থাকলেও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তার স্বার্থের জন্য সেগুলো আটকে রেখেছেন। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানের সাবেক সভাপতি মাসুদ রানা বলেন, আমার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয়ের একাডেমিক সুপারভাইজর মনোয়ারা আক্তার গতকাল রাত ৮টায় দেশ রূপান্তরকে জানান, এখনো ২৫ পরীক্ষার্থী প্রবেশপত্র পায়নি। তাদের শনিবার প্রবেশপত্র দেওয়া হবে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কামরুন্নাহার বলেন, ‘ওই প্রতিষ্ঠানের মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মৌখিক নির্দেশে প্রবেশপত্রগুলো তাদের কাছে দেওয়া হয়নি। নিজস্বার্থে প্রবেশপত্র আটকে রাখার অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি মোবাইল ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এ বিষয়ে জানতে সাভার ইউএনও পারভেজুর রহমানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।