লক্ষ্মীপুর থেকে পিকনিকে কুমিল্লার ম্যাজিক প্যারাডাইসে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলো স্থানীয় ইলেভেন কেয়ার একাডেমির দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ফৌজিয়া আফরিন সামিয়া (৮)।
নিহত সামিয়া সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের বাসিন্দা গিয়াস উদ্দিনের মেয়ে।
বৃহস্পতিবার রাতে অন্য সহপাঠী ও শিক্ষকরা তার লাশ নিয়ে বাড়ি ফেরেন।
এর আগে ম্যাজিক প্যারাডাইসে তার লাশ পাওয়া যায়। এদিকে এ মৃত্যুর সু-নির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি। তবে পরিবার বলছে তাকে হত্যা করা হয়েছে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে নিহতের স্বজনসহ স্থানীয়রা ওই শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের আঙিনায় ভিড় করেন।
জানা যায়, পৌর শহরের শেখ রাসেল সড়কে অবস্থিত ইলেভেন কেয়ার একাডেমি থেকে বৃহস্পতিবার সকালে ৫০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে কুমিল্লার ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কে পিকনিকে যায় স্কুলের পক্ষ হতে।
বিকেল ৩টায় প্রধান শিক্ষকের মুঠোফোনেও বাবার সঙ্গে কথা হয় সামিয়ার। মাত্র ঘণ্টাখানেক পর পানিতে ডুবে মেয়ের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে তা মানতে রাজি নন বাবা গিয়াস উদ্দিন ও মা কানিজ ফাতেমা।
তারা জানান, বনভোজনে যেতে দিতে না চাইলেও শিক্ষকরা জোর করে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আমার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেন, বাবা গিয়াস উদ্দিন।
এদিকে প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকসহ অন্যরা আত্মগোপনে রয়েছেন। তাদের মুঠোফোনও বন্ধ রয়েছে।
এ ব্যাপারে প্রতিষ্ঠান প্রধান রিয়াজুল কবিরের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা শফিকুর রেদোয়ান আরমান শাকিল জানান, বনভোজনে ছাত্রীর মৃত্যুর বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।