করোনাভাইরাস ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের পর চীনের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। তারা জানিয়েছে, চীনে অবস্থানরত কোনো বিদেশিকে নিজেদের দেশে প্রবেশ করতে দেবে না।
এর আগে রাশিয়া, জাপান, পাকিস্তান এবং ইতালিসহ কয়েকটি দেশ একই ধরনের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছিল।
একের পর এক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার সমালোচনা করছে চীন। ওই সব দেশের সরকার স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ উপেক্ষা করছে বলেও তারা অভিযোগ করে।
‘ডব্লিউএইচ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে সুপারিশ করলেও যুক্তরাষ্ট্র ঠিক তার উল্টোদিকে মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছে,’ মন্তব্য করে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হুয়া চুনিং বলেন, ‘এটি কোনো সদিচ্ছার পরিচয় নয়।’
সব মিলিয়ে রবিবার পর্যন্ত রহস্যময় করোনাভাইরাসে শুধু চীনে ৩০৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন ১৪ হাজার ৩৮০ জন।
যে হুবেই প্রদেশ থেকে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়েছে সেখানে এখন পর্যন্ত ৯ হাজার ৭৪ জনের আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। মারা গেছেন ২৯৪ জন।
আশার খবর হল এই ভাইরাসের আক্রমণ থেকে এখন পর্যন্ত ৩২৮ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন।
চিকিৎসকেরা বলছেন, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো হলে এ রোগ কিছুদিন পর এমনিতেই সেরে যেতে পারে। তবে ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদযন্ত্র বা ফুসফুসের পুরোনো রোগীদের ক্ষেত্রে মারাত্মক জটিলতা দেখা দিতে পারে। এটি মোড় নিতে পারে নিউমোনিয়া, রেসপিরেটরি ফেইলিউর বা কিডনি অকার্যকারিতার দিকে। পরিণতিতে ঘটতে পারে মৃত্যু।
করোনাভাইরাস মূলত শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণ ঘটায়। লক্ষণগুলো হয় অনেকটা নিউমোনিয়ার মতো। কারও ক্ষেত্রে ডায়রিয়াও দেখা দিতে পারে।