অস্ট্রেলিয়া গেল সালমারা

অস্ট্রেলিয়ায় নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে এখনো বেশ দেরি। ২১ ফেব্রুয়ারি শুরু। বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ ২৪ ফেব্রুয়ারি, ভারতের সঙ্গে। তবে অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে ২২ দিন আগেই দেশ ছাড়ল সালমা খাতুনের দল। পরবর্তী বিশ্বকাপে যাতে বাছাই পর্বে খেলতে না হয় সেই টার্গেট সঙ্গে নিয়ে গেল তারা। গ্রুপপর্বে অন্তত দুটি ম্যাচ জিতলে যে লক্ষ্য হবে পূরণ।

অস্ট্রেলিয়ায় প্রথমে গোল্ডকোস্টে যাবে বাংলাদেশ দল। সেখানে বিসিবির খরচে কন্ডিশনিং ক্যাম্প চলবে। ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে আইসিসির তত্ত্বাবধানে মেলবোর্নের ক্যাম্পে যোগ দেবে দল। ওইদিন থেকে সব দলের বিশ্বকাপ প্রস্তুতি শুরু। মূল লড়াইয়ে নামার আগে খেলবে পাঁচটি প্রস্তুতি ম্যাচ। এর তিনটি বিসিবির আয়োজনে। দুটি আইসিসির তত্ত্বাবধানে।

এবারের বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে ১০টি দল। দুটি গ্রুপে ভাগ হয়ে হবে লড়াই। ‘এ’ গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া, ভারত, নিউজিল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা। বাকি দলগুলোর চেয়ে ঢের পিছিয়ে থাকলেও এবারে কোয়ালিফাইয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিশ্বকাপে যাওয়া বাংলাদেশ দল আত্মবিশ্বাসী। তারা এশিয়ারও চ্যাম্পিয়ন। এসব বিশ্বাস থেকেই অধিনায়ক সালমা গতকাল বলে গেলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে সামনে যাতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য কোয়ালিফাইং খেলতে না হয়। এজন্য দুটি ম্যাচ জিততে হবে। ওই লক্ষ্য নিয়েই আমরা বিশ্বকাপে যাচ্ছি।’ তার সঙ্গে সুর মিলিয়ে সাবেক অধিনায়ক ও পেস অ্যাটাকের নেতা জাহানারা আলম জানালেন, ‘আমরা মনে করছি এটা আমাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের আসর। এখানে যদি আমরা ভালো করতে পারি আমার মনে হয় আর নারী ক্রিকেটকে পেছনে ফিরে তাকাতে হবে না। একটা ম্যাচ যদি জিতে যাই তাহলে র‌্যাংকিংয়ে চলে আসব। আমাদের লক্ষ্য দুটো ম্যাচ জেতা।’  সালমার জন্য এটি চতুর্থ বিশ্বকাপ। গর্বের ব্যাপারটি নিয়ে উদ্বেলিত এই অলরাউন্ডার, ‘খুব ভালো লাগছে যে প্রত্যেকটা বিশ্বকাপেই নেতৃত্ব দিচ্ছি। এটা আমার জন্য অনেক বড় একটা পাওয়া। চেষ্টা করব আমার সেরাটা দেওয়ার জন্য। সবার কাছ থেকে যেন ভালোভাবে সেরাটা আদায় করে নেওয়া যায়।’