ঢাকা সিটির নির্বাচনে ভোট গনণায় 'জালিয়াতি': ১ ওয়ার্ডের ফল স্থগিত

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটির নির্বাচনে ভোটের ফল জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। তিনজন কাউন্সিলর প্রার্থী এমন অভিযোগ জমা দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনে। 

তাদের দাবি, ভোটের সংখ্যা পাল্টে প্রতিপক্ষকে জিতিয়ে দেওয়া হয়েছে। 

এমন অভিযোগে এরই মধ্যে স্থগিত করা হয়েছে দক্ষিণ সিটির ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদের ফলাফল। একই অভিযোগ পাশের ৩২ নম্বর ওয়ার্ড এবং উত্তর সিটির ৬ নম্বর ওয়ার্ডেও। 

দুই রিটার্নিং কর্মকর্তা বলছেন, পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন।

পোলিং এজেন্টদের কাছ থেকে পাওয়া হিসাবে আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী জানতেন জিতেছেন ২৭ ভোটে। কিন্তু জয়ের খুশি শেখ মোহাম্মদ আলমগীরের কপালে সইলো না বেশিক্ষণ। রাতে প্রকাশিত বেসরকারি ফলাফলে তিনি দেখেন টিফিন ক্যারিয়ার মার্কার স্বতন্ত্র প্রার্থী জুবায়েদ আদেল এর কাছে হেরেছেন ২১০ ভোটে।

শনিবার রাতেই রিটার্নিং অফিসে গিয়ে অভিযোগ দেন তিনি। পরে তিনি ইভিএমের কপি জোগাড় করলে। হিসাব কষে দেখলেন জেতার কথা তারই।

পরে রোববার রির্টার্নিং অফিসে গিয়ে কাগজপত্রসহ আবারো বিষয়টি জানান রির্টানিং কর্মকর্তাকে। পরে সন্ধ্যায় গণবিজ্ঞপ্তি দিয়ে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের ফলাফল স্থগিত করেন দক্ষিনের রিটার্নিং কর্মকর্তা।

কারণ স্পষ্ট না করলেও ফল স্থগিত করার বিষয়টি নিশ্চিত করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা আবদুল বাতেন।

ঝুড়ি মার্কায় প্রতিদ্বন্দিতা করা আলমগীর বলছেন, ইভিএমএর প্রিন্টেড কপির হিসেবে দক্ষিণ সিটির ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের আরমানিটোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়-২ পুরুষ কেন্দ্রে তিনি পেয়েছেন ৪৩৯ ভোট। কিন্তু ফলাফলে দেখানো হয়েছে তিনি পেয়েছেন ২০২ ভোট। অপর দিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইরোজ আহমেদের ঘুড়ি মার্কায় পড়েছে ৪৩৯ ভোট। আর ঘোষণাকৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী জুবায়েদ আদেলের টিফিন ক্যারিয়ার মার্কায় পড়ে ২২৬ ভোট।

ইভিএম হওয়ার পরও কিভাবে এটি ঘোটলো তা খতিয়ে দেখতে কমিশনকে অনুরোধ করেছেন আলমগীর।

একই সিটির ঠিক পাশের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডেও একই অভিযোগ পাওয়া যায়। অভিযোগে ওই ওয়ার্ডের ঠেলাগাড়ি প্রতীকের কাউন্সিলর প্রার্থী বিল্লাল শাহ জানান, ইভিএমে ভোট হওয়ার পরও কেন্দ্রের ফলাফল ও ঘোষিত ফলাফলে ব্যাপক গরমিল পান।

এ নিয়ে এ নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ জানিয়েও কোনো ফল না পাওয়ায় তিনি উচ্চ আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

খবর: চ্যানেল টুয়েন্টিফোর ডটকম।