তিতাসে ব্যাপক বদলি বাণিজ্যের প্রমাণ পেয়েছে দুদক

তিতাস গ্যাসে অভিযান চালিয়ে ব্যাপক বদলি বাণিজ্যের প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রবিবার তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ে অভিযান পরিচালনা করে দুদক। এতে প্রতিষ্ঠানটিতে ব্যাপক বদলি বাণিজ্যের তথ্য পাওয়া যায় বলে দেশ রূপান্তরকে জানান দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা জানান, তিতাস গ্যাসে সিস্টেম লস এক বছরে প্রায় পাঁচ গুণ বেড়ে গিয়েছে। পাশাপাশি নতুন সংযোগ দেওয়া বন্ধ থাকলেও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজশে অবৈধভাবে বিভিন্ন স্থানে নতুন সংযোগ দেওয়া হয়। কমিশনের হটলাইনে এ ধরনের অভিযোগ পাওয়ার পর সহকারী পরিচালক আফরোজা হক খান ও উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শিহাব সালামের সমন্বয়ে গঠিত একটি টিম তিতাসে অভিযান চালায়।

দুদক টিম তিতাসের কর্তৃপক্ষের কাছে এর আগে তিতাসে দুর্নীতির যেসব সুনির্দিষ্ট ক্ষেত্র চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছিল তার আলোকে কি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে জানতে চায়। তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ টিমকে জানিয়েছে, দুদকের সুপারিশের ভিত্তিতে তিতাসের ৯০০ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বদলি করা হয়েছে। তবে বদলি হওয়া কিছু প্রভাবশালী কর্মকর্তা-কর্মচারী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের যোগসাজশে ও তদবিরের মাধ্যমে আগের সুবিধাজনক পদে পুনরায় ফিরে আসে।

এছাড়া তিতাসে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্নের বিষয়ে কি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে জানতে চাইলে তিতাস থেকে দুদককে কিছু তথ্য জানানো হয়। তিতাসের কর্মকর্তারা বলেন বনানীর হোটেল গোল্ডেন টিউলিপে দুদক অভিযান করার পরে ওই হোটেল কর্তৃপক্ষকে ১১ লাখ টাকা জরিমানা ও হোটেলটির গ্যাস সংযোগ স্থায়ীভাবে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। এছাড়া প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা বকেয়া বিল আদায়ের জন্য তিতাস গ্যাস নানা ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে।