নাটোর জেলা পুলিশ জরুরি হেল্পলাইন নম্বরে অভিযোগ পেয়ে ১৮ টি গরুসহ চার ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে। এ সময় ডাকাতির কাজে ব্যবহার করা দুটি ট্রাকও জব্দ করা হয়।
মঙ্গলবার দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। উদ্ধারকৃত গরুগুলো প্রকৃত মালিকদের ফেরত দেয়া হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর থানার পোরজনা গ্রামের নুর বক্সের ছেলে জামাল হোসেন, একই থানার নন্দলালপুর গ্রামের আফসার আলীর ছেলে হাসেম আলী ও জোতপাড়া এলাকার হানিফ শেখের ছেলে কাউছার আলী শেখ এবং নাটোরের চরতেবাড়িয়া এলাকার গফুর মণ্ডলের ছেলে মো. মানিক।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা বলেন, এতে জড়িত অন্য ডাকাতদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে। এ সময় বড়াইগ্রাম সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ, এএসপি (প্রবি) ফাতেমা তুজ জোহরা, বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দিলীপ কুমার দাস উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ সুপার জানান, গত ২৮ জানুয়ারি দিনাজপুর থেকে যশোরগামী গরু বোঝাই একটি ট্রাক নাটোর-পাবনা মহাসড়কের ময়মনসিংহ গোরস্থান এলাকায় ডাকাতের কবলে পড়ে। ডাকাত দল দুই গরু ব্যবসায়ীকে মারপিট ও জখম করে ২৪টি গরুসহ ট্রাক লুট করে নিয়ে চলে যায়।
ভুক্তভোগীরা জরুরি হেল্পলাইন নম্বর ৯৯৯ এর মাধ্যমে ফোন দিয়ে বিষয়টি নাটোর জেলা পুলিশকে জানায়। তখন থেকেই বড়াইগ্রাম সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদের নেতৃত্বে বিভিন্ন জেলায় অভিযান চালিয়ে আন্তজেলা ডাকাত দলের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডাকাতদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর থেকে লুট হওয়া ২৪টি গরুর মধ্যে ১৮টি গরু এবং ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত দুটি ট্রাক জব্দ করা হয়েছে।