চিকিৎসক না হয়েও ডাক্তার পদবি ব্যবহার করায় ৫ হাজার টাকা জরিমানা

সাভারে অভিযান চালিয়ে চিকিৎসক না হয়েও নামের আগে ডাক্তার পদবি ব্যবহার করায় দুই ব্যক্তিকে জরিমানা ও অনুমোদনহীন তিনটি প্রাইভেট হাসপাতাল সিলগালা করে দেয়া হয়েছে।

ঢাকা জেলা সিভিল সার্জনের নির্দেশে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পক্ষ থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ সায়েমুল হুদার নেতৃত্বে মঙ্গলবার সকাল থেকে অভিযানটি পরিচালনা করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ এই সাজা দেন। এ সময় উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশসহ সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার নুসরাত জাহান সাথী উপস্থিত ছিলেন।

চিকিৎসক না হয়েও নামের আগে ডাক্তার পদবি ব্যবহার করা দুই ব্যক্তি হলেন- ল্যাবস্টার হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক মিজানুর রহমান এবং যমুনা ডিজিটাল হাসপাতালের মালিক মো. আরিফ বিল্লাহ। তাদের মধ্যে মিজানুর রহমানকে পাঁচ হাজার টাকা এবং মো. আরিফ বিল্লাহকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

পৌর এলাকার গেন্ডায় অবস্থিত ল্যাবস্টার হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গিয়ে দেখা যায় হাসপাতাল চালানোর প্রয়োজনীয় কাগজ নেই। এ ছাড়া পর্যাপ্ত লোকবল ও লাইসেন্স না থাকায় প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন থিয়েটার এবং এক্স-রে কক্ষ সিলগালা করে দেয়া হয়।

উলাইল মহল্লার যমুনা ডিজিটাল হাসপাতালেরও কোন লাইসেন্স, অনুমোদন এবং প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় তাদের অপারেশন থিয়েটার, এক্স-রে, আলট্রাসনোগ্রাফি ও ল্যাব সিলগালা করে দেয়া হয়।

গেন্ডা এলাকায় অবস্থিত নিউ লাইফ কেয়ার হসপিটাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারেরও প্রয়োজনীয় কাগজ ও অনুমোদন না থাকায় প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেয়া হয়।

অভিযান শেষে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ বলেন, প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘদিন যাবৎ কোন প্রকার অনুমোদন ছাড়াই নিয়মনীতি উপেক্ষা করে বিভিন্ন আবাসিক ভবনে হাসপাতাল খুলে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিল।

অন্যদিকে সাদাপুর এলাকার সাসকো এনার্জি বিডি নামে একটি মবিল তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়ে পরিবেশ দূষণসহ অনুমোদন ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণভাবে কারখানা পরিচালনার অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং এর ব্যবস্থাপক মো. আবু তালেবকে এক মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।