জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে র্যাগিংয়ের অভিযোগে বহিষ্কৃত পাঁচ শিক্ষার্থীর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার চেয়ে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা।
রবিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বিক্ষোভ করে প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা এক দফা দাবিতে সেখানে অবস্থান নেন।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থী দিদার রানাসহ বক্তারা বলেন, আগে নোটিশ না দিয়ে, শিক্ষার্থীদের অবগত না করে হঠাৎ এত বড় শাস্তি দেওয়া অনুচিত। আমরাও র্যাগের বিরোধী। আমাদের দাবি, ইমরানের র্যাগের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে যাদের শাস্তি ঘোষণা করা হয়েছে, তারা প্রকৃত অপরাধী নয়। আমরা চাই যাদের বহিষ্কার করা হয়েছে তাদের ক্লাস-পরীক্ষায় বসার অনুমতি দেওয়া হোক এবং ভবিষ্যতে যেন কেউ র্যাগিং না করে সে বিষয়ে সতর্ক করে দেওয়া হোক।
আন্দোলনের একপর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল হাসান রাকিবসহ সাতজনের একটি প্রতিনিধি দল উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎ শেষে শনিবার পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত করার ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা।
এ বিষয়ে প্রক্টর ড. উজ্জ্বল কুমার প্রধান বলেন, শিক্ষার্থীরা ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চেয়ে আবেদন করেছে। আমরা সেটি গ্রহণ করেছি। আগামী সিন্ডিকেট সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জরুরি সিন্ডিকেট সভায় সিএসই বিভাগে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ইমরানকে র্যাগিংয়ের অভিযোগে স্থানীয় সরকার ও নগর উন্নয়ন বিভাগের ২য় বর্ষের দুই শিক্ষার্থী জাকির হোসেনকে তিন বছর ও তানভিরুল ইসলামকে দুই বছর এবং ইইই বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী মেহেদি হাসানকে দুই বছরের জন্য বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
অন্যদিকে প্রথম বর্ষের ছাত্রীকে র্যাগ দেওয়ার অভিযোগে দুই ছাত্রীকে এক বছর করে বহিষ্কারাদেশ দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।