পাহাড় কাটায় চবি প্রশাসনসহ ব্যবসায়ীকে কারণ দর্শানো নোটিশ

অনুমতি ছাড়া পাহাড় কাটার অভিযোগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) প্রশাসন ও দুই কাঠ ব্যবসায়ীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। এ বিষয়ে ৯ মার্চের মধ্যে কেন প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে তার জবাব দিতে বলা হয়েছে।

বুধবার অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক মোহাম্মদ মোয়াজ্জম হোসাইন স্বাক্ষরিত নোটিশ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার, নিরাপত্তা বিভাগের প্রধান মো. বজল হক এবং ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান শেরে বাংলা ফার্নিচার মার্টের মালিক মো. বজল এবং মেসার্স হানিফ এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. হানিফকে পাঠানো হয়।

নোটিশে বলা হয়, ‘চট্টগ্রাম জেলা কর্তৃক হাটহাজারী উপজেলার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়েছে। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এলাকায় পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি ব্যতীত পাহাড়/টিলা কর্তন করা হচ্ছে মর্মে অভিযোগ করা হয়েছে। এ দপ্তরের তথ্যানুযায়ী বর্ণিত এলাকায় পাহাড় কর্তনের অনুমতি প্রদান করা হয়নি। সরকারি অনুমতি ব্যতীত পাহাড় কর্তন বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন,১৯৯৫ (সংশোধিত-২০১০) অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

‘অনুমতি বিহীনভাবে পাহাড় কর্তন করার জন্য কেন আপনার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তা আগামী ০৯ জুলাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম অঞ্চল অফিসে উপস্থিত হয়ে কারণ প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হলো। অন্যথায় বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন,১৯৯৫ (সংশোধিত-২০১০) এবং পরিবেশ আদালত আইন,২০১০ অনুযায়ী বিজ্ঞ স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়েরসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে’।

এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপপরিচালক জমির উদ্দিন দেশ রূপান্তরকে বলেন, আমরা সরেজমিনে দেখে এসেছি, গাছ ও পাহাড় কাটা হয়েছে। তাই তাদের নোটিশ দেওয়া হয়েছে। পাহাড় কাটার বিষয়ে আমরা দেখি আর গাছ কাটার বিষয়টি বন বিভাগ দেখবে।

জানতে চাইলে চবি এস্টেট শাখার প্রশাসক মাহবুব হারুন চৌধুরীকে ফোন দিলে সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর মিটিংয়ে আছেন বলে ফোন কেটে দেন।