চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে (চমেক) আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুপক্ষে সংঘর্ষে আটজন আহত হয়েছে। গতকাল সোমবার দুপুর ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে তিনজন চমেক হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। পাঁচজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় চমেক কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
এ বিষয়ে চমেক অধ্যক্ষ শামীম হাসান বলেন, ‘ছাত্ররা নিজ নিজ বক্তব্য জানাতে আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিল। তাদের আশ^স্ত করেছি, বলেছি সহাবস্থান করতে। পরে কার্যালয় থেকে বের হয়ে নিচে দুইপক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। আমিসহ তিনজন শিক্ষক গিয়ে তাদের থামাতে চেষ্টা করি। পরে পুলিশ এসে দুপক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।’
তিনি আরও বলেন, অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভা করেছি, সিদ্ধান্ত হয়েছে ক্লাস চলবে, কোনোমতে বন্ধ করব না। এ ঘটনায় সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী তিন দিনের মধ্যে কমিটিকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।
চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক জহিরুল ইসলাম বলেন, ছাত্রলীগের দুপক্ষ মারামারি করেছে। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের জন্য অধ্যক্ষ আবেদন করেছেন।
চমেক ছাত্রলীগ দীর্ঘদিন ধরে নিয়ন্ত্রণ করেন নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। বর্তমানে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারী পরিচয়ে ছাত্রলীগের আরেকটি অংশ ক্যাম্পাসে সক্রিয় হয়েছে। এ দুপক্ষের নেতাকর্মীরাই সংঘর্ষে জড়ায় বলে জানিয়েছেন কলেজের শিক্ষার্থীরা।