গত ১৪ জানুয়ারি দেশ রূপান্তরে প্রকাশিত ‘৩০০ কোটি টাকা মেরে কানাডায়’ ও ৮ ফেব্রুয়ারি ‘বেলায়েতের অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধান শুরু দুদকের’ শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন বেলায়েত নেভিগেশন ও গাজী অটোব্রিকসের স্বত্বাধিকারী গাজী বেলায়েত হোসেন। প্রতিবাদ লিপিতে তিনি বলেন, রিলায়েন্স শিপিং, এসবিআই শিপিং লাইন্স ও বে নেভিগেশনের ব্যাংক ঋণের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। বেলায়েত নেভিগেশনের গৃহীত ঋণের টাকা নিয়মমাফিক পরিশোধ করে বর্তমানে ১২ কোটি টাকায় নামিয়ে আনা হয়েছে। বেলায়েত নেভিগেশনের গৃহীত ঋণ সমন্বয় করে নিয়মিত করা হয়েছে এবং গাজী অটোব্রিকসের নামে গৃহীত ঋণ সমন্বয়ের মাধ্যমে নিয়মিত করার প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি আরও বলেন, বেসিক ব্যাংকের গুলশান শাখা থেকে ৩০০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার তথ্যটি সঠিক নয়। গুলশান শাখায় বেলায়েত নেভিগেশন অথবা গাজী বেলায়েতের নামে কোনো ঋণ নেই। খবরে উল্লিখিত কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে বেসিক ব্যাংকের গুলশান শাখা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কাজ করছে। প্রতিবাদ লিপিতে আরও উল্লেখ করেন, প্রায় ১৪ বছর আগের ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট কো-অর্ডিনেশন সেলের তহবিল লুটপাটের অভিযোগ সঠিক নয়। তার দাবি, প্রকাশিত সংবাদে তার সম্মান ও আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
প্রতিবেদকের বক্তব্য : গাজী বেলায়েত হোসেনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অবৈধ প্রক্রিয়ায় ভুয়া ঋণ হিসেবে নিয়ে বেসিক ব্যাংকের ৩০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার একটি অভিযোগ অনুসন্ধান চলছে। তিনি কানাডিয়ান পাসপোর্ট ব্যবহার করে বাংলাদেশে আসা ও বিদেশে গমন বিষয়ে দুদক তার দুটি পাসপোর্ট নম্বর উল্লেখ করে ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। তাছাড়া প্রকাশিত সংবাদে যেসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে তা বাংলাদেশ ব্যাংকের ফিনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট বা বিএফআইইউর তদন্ত প্রতিবেদনের সূত্র অনুযায়ী এবং দুদক থেকে পাওয়া তথ্য।