তৃতীয় দফার পাকিস্তান সফরেও মুশফিকুর রহিম যাচ্ছেন না। মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু। ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা কি যাচ্ছেন?
অধিনায়ক হিসেবে মাশরাফী শেষ সিরিজ খেলছেন এমনই গুঞ্জন চারদিকে। বিশেষ করে কিছুদিন আগে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন অনেকটা ঘোষণার সুরেই বলেন, জিম্বাবুয়ে সিরিজের পর নতুন ওয়ানডে অধিনায়ক বেছে নেওয়া হবে।
যদিও এখনো এই বিষয়ে চূড়ান্ত কিছুই জানা যায়নি। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ শুরুর আগে মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার আলোচিত সংবাদ সম্মেলনের পরদিন বিসিবি সভাপতি এক প্রশ্নের উত্তরে বলেন, ‘অধিনায়ক কে হবে, সেটি চূড়ান্ত করবে বোর্ড। যখন যাকে মনে হয়, তাকে নির্বাচন করবে। ও কখন অবসর নেবে, সেটা ওর ব্যাপার।’
অর্থাৎ মাশরাফীর অবসর বা অধিনায়কত্ব দুই নিয়েই ধোঁয়াশা থাকছেই। এদিকে জিম্বাবুয়ে সিরিজের পর বাংলাদেশ দল এপ্রিলে যাবে পাকিস্তান সফরে। সেখানে একটি টেস্ট খেলার আগে খেলবে একটি ওয়ানডেও।
এর আগে যদি নতুন অধিনায়ক বেছে নেয় বিসিবি, শুধু খেলোয়াড় হিসেবেও মাশরাফী থাকতেই পারেন। কারণ অবসর নিয়ে চূড়ান্ত কিছুই তো জানাননি তিনি।
ক’দিন আগের বহুর আলোচিত সংবাদ সম্মেলনেও পাকিস্তান সফরে যাওয়ার ব্যাপারে মাশরাফীকে প্রশ্ন করা হয়েছিল। নড়াইল এক্সপ্রেস উত্তর দেন এভাবে, ‘প্রথমত জানি না এই সিরিজের পর কি হবে। বাংলাদেশ দলের প্রয়োজনে ডাকলে আমি যে কোনো জায়গায় থাকব...।’
‘নির্বাচকেরা যখন দল গঠনে বসবেন পাকিস্তান সফরের আগে, তখন নিশ্চয়ই ব্যক্তিগতভাবে প্রত্যেককে জিজ্ঞেস করবে কে যেতে চায় কে যেতে চায় না। আমাকে যদি কখনো নির্বাচন করে এবং আমাকে জিজ্ঞেস করে আমি যাব কি-না। তখন উনাদের সঙ্গে এই বিষয় নিয়ে আলোচনা করব।’
মাশরাফীকে পাকিস্তান সফরে রাখা হবে কিনা এ ব্যাপারে মঙ্গলবার প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদনী নান্নুকেও প্রশ্ন করেন সাংবাদিকেরা। প্রধান নির্বাচক বলেন, ‘পাকিস্তান সফরের দল নিয়ে কিন্তু আমরা এখনো বসিনি। মুশফিক যাবে না এটা সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে। ১৫ জন থেকে (জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের স্কোয়াড) অলরেডি একজন অফ হয়ে গেছে। ওর জায়গায় রিপ্লেসমেন্ট চিন্তা করছি। মাশরাফীর ব্যাপারটা নিয়ে এখনো আলোচনা হয়নি। এই সিরিজটা শেষ হলে আমরা পাকিস্তান সফরের ওয়ানডে নিয়ে বসব।’