জার্মান সেনাবাহিনীতে চরমপন্থি আতঙ্ক

জার্মান সেনাবাহিনীর ১৪ সদস্যকে চরমপন্থি হিসেবে চিহ্নিত করেছে দেশটির সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা এমএডি। দেশটির সংসদে জমা দেওয়া এক প্রতিবেদনে এমএডি জানায়, ২০১৯ সালে তারা সেনাবাহিনীর ওই ১৪ চরমপন্থিকে চিহ্নিত করেছে। এরপরই বাহিনীটিতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে ডয়েচে ভেলে। 

 ‘ডেয়ার স্পিগেল’ নামের একটি সাময়িকীর বরাতে ডয়েচে ভেলে বলছে, ১৪ জনের মধ্যে আট জন চরম ডানপন্থি আর চার জন চরমপন্থি ইসলামে বিশ্বাসী। প্রতিবেদনে সামরিক বাহিনীর আরও দুই সদস্যের নাম উল্লেখ করা হয়েছে যারা জার্মান রাষ্ট্র ও তার আইনকে অস্বীকার করে বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া প্রতিবেদনে আরও ৩৮ জনের কথা রয়েছে, যাদের মধ্যে জার্মান সংবিধানের প্রতি দায়বদ্ধতার অভাব লক্ষ করা গেছে।

সাম্প্রতিক সময়ে জার্মানির সামরিক বাহিনীসহ একাধিক সরকারি প্রতিষ্ঠানে চরমপন্থি মনোভাবাপন্নরা নিযুক্ত থাকার কথা উঠে এসেছে। কড়া হাতে চরমপন্থি আচরণ দমন করার চেষ্টা থাকা সত্ত্বেও সরকারকে সমালোচনার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এক সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী আচরণের জন্য আদালতে মামলাও চলছে।

এমএডির প্রতিবেদন বলছে, ২০১৯ সালে সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে এমন মনোভাব আগের তুলনায় অনেকটাই বেড়েছে। পাশাপাশি এটাও বলা হয়েছে যে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় নতুন পন্থার আশ্রয় নিচ্ছে সরকার। এছাড়া প্রায় ৫০০ জন সেনাসদস্যের গতিবিধি এই মুহূর্তে গোয়েন্দা বিভাগের নজরে রয়েছে।