আইনি জটিলতা নিরসন হওয়ায় দেশের ৩২ জেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। এরপর আরও ১৩টি জেলার নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। আইনি জটিলতা কাটিয়ে ক্রমেই বাকি জেলাগুলোতেও নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে বলেও জানিয়েছে তারা।
এ বিষয়ে ডিপিইর মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ গতকাল রবিবার বলেন, কিছু জেলায় নিয়োগের সব প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে, আবার কিছু জেলায় যোগদান, পদায়ন শেষে নতুন শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
সম্প্রতি নাটোর, সিরাজগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, গোপালগঞ্জ, চাঁদপুর, পটুয়াখালী, সুনামগঞ্জ, সিলেট, লালমনিরহাটসহ ১৩ জেলার নিয়োগ কার্যক্রমে স্থগিতাদেশ বাতিল করা হয়েছে। চলতি সপ্তাহে এসব জেলায় নিয়োগ কার্যক্রম শেষ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, ঢাকাসহ আরও ১৫ জেলার নিয়োগের স্থগিতাদেশ বাতিলের জন্য উচ্চ আদালতে আপিল করা হয়েছে। আশাকরি ২০ মার্চের মধ্যে দেশের ৬১ জেলার চূড়ান্তভাবে পাস করা প্রার্থীদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদান-পদায়ন সম্ভব হবে।
২০১৮ সালের ৩০ জুলাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর চার ধাপে সারা দেশে পরীক্ষা নেওয়া হয়। গত বছরের সেপ্টেম্বরে লিখিত পরীক্ষায় ৫৫ হাজার ২৯৫ জন পাস করেন। গত ৬ অক্টোবর থেকে মাসব্যাপী মৌখিক পরীক্ষার পর সবশেষে গত ২৪ ডিসেম্বর ৬১ জেলায় ১৮ হাজার ১৪৭ জনকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করে ফলাফল প্রকাশ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। কিন্তু দেশের ৫২টি জেলা থেকে নারী প্রাথীরা এই পরীক্ষায় নারী কোটা যথাযথভাবে মানা হয়নি অভিযোগে উচ্চ আদালতে রিট আবেদন দাখিল করেন। এতে স্থগিত হয়ে যায় নিয়োগ কার্যক্রম।