করোনাভাইরাসের আতঙ্কে কাঁপছে বিশ্ব। মাস্ক, স্যানিটাইজার থেকে শুরু করে টয়লেট পেপার কিনতে দোকানে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে মানুষ। অনেকে অতিরিক্ত পরিমাণ কেনায় এসব পণ্যের টান পড়েছে দোকানগুলোতে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় কয়েকটি দেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে।
একইভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় ক্রেতাদের এই ধরনের পণ্য কেনার পরিমাণ নির্দিষ্ট করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্রিটেনের অন্যতম খুচরো বিক্রেতা টেসকো।
আনন্দবাজার জানায়, মঙ্গলবার থেকে খাবারদাবার এবং প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বিক্রি নিয়ে কড়াকড়ি আরোপ করেছে এই কোম্পানি।
টেসকো’র পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল জেল থেকে, ওয়াইপস, স্প্রে, শুকনো পাস্তা, পাস্তুরাইজড দুধ এবং বেশ কিছু প্যাকেটজাত আনাজ- পাঁচটির বেশি কিনতে পারবেন না একজন ক্রেতা। একই নিয়ম খাটবে অনলাইন কেনাকাটার ক্ষেত্রেও।
ব্রিটেনের অন্য একটি সুপারমার্কেট সংস্থা ‘ওয়েটরোজ’ তাঁদের ওয়েবসাইটে বেশ কিছু অ্যান্টি ব্যাক্টেরিয়াল সাবান ও ওয়াইপ বিক্রিতে সাময়িকভাবে রাশ টেনেছে। সেখানকার একটি ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিক্রির সীমা বেঁধে দিয়েছে। জনপ্রতি দু’টি করে স্যানিটাইজার ধার্য করেছে তারা।
‘আসদা’ নামে আর একটি সংস্থাও একই রকমের নিয়ন্ত্রণের কথা জানিয়েছে।
ব্রিটেনের পরিবেশ, খাদ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, করোনাভাইরাসের জেরে যারা আলাদা আটকে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন, তারা যাতে সব রকম সাহায্য পান তা নিশ্চিত করতে সুপারমার্কেটগুলোর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলবেন পরিবেশ বিষয়ক সচিব জর্জ ইউস্টিস।
খুচরো বিক্রয়কারী দোকানগুলোতে চালানো এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, শুধু জিনিসপত্র মজুদ রাখার জন্যই কেনাকাটা সারছেন ব্রিটেনের ১০ ক্রেতার মধ্যে অন্তত একজন।
এদিকে করোনার বাজারে চড়া দামে স্যানিটাইজার ও মাস্ক বিক্রি রুখতে ব্রিটেনের খুচরো বিক্রেতাদের ইতোমধ্যেই সতর্ক করেছে সরকার।