বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে দাফন হওয়া গাজীপুর মহানগর পুলিশের ট্রাফিক কনস্টেবল শরীফ আহমেদকে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের জের ধরে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে র্যাব। গত শনিবার বিকেলে গাজীপুর মহানগর ও ময়মনসিংহ থেকে এ হত্যা পরিকল্পনার হোতা মোফাজ্জল হোসেন (২৮), মনির হোসেন (৩০) ও মাসুদ মিয়াকে (২৫) গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তারা র্যাবের কাছে স্বীকারোক্তিতে হত্যার রোমহর্ষক বর্ণনা দেয়। শরীফকে হত্যা করতে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে এক খুনিকে ভাড়া করে আনা হয়।
গতকাল রবিবার বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। তবে খুনিদের সঙ্গে বিরোধের কারণ নির্দিষ্ট করে জানানো হয়নি। প্রশ্ন করা হলেও র্যাব কর্মকর্তারা এ বিষয়ে কিছু বলেননি।
সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-১-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল শাফী উল্লাহ বুলবুল জানান, ট্রাফিক কনস্টেবল শরীফের সঙ্গে মোফাজ্জল ও গাজীপুরের তাকওয়া বাসের চালক মনিরের পরিচয় ছিল। কয়েক দিন আগে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা হয়।