ক্যানসারে আক্রান্ত তাহমিনা বাঁচতে চান, প্রয়োজন ২৫ লাখ টাকা

গত বছরের নভেম্বরে ব্রেস্ট ক্যানসারে আক্রান্তের খবর জানতে পারেন তাহমিনা ইয়াসমিন। এর পর থেকেই অপারেশনসহ যাবতীয় চিকিৎসায় প্রায় তিন লাখ টাকা খরচ হয় তাহমিনার পরিবারের। চিকিৎসা ব্যয়ে প্রয়োজন আরও ২৫ লাখ টাকা। কিন্তু পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি তার স্বামী মো. আনিছুর রহমানের পক্ষে এই বিশাল অঙ্কের টাকা জোগাড় করা অসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তাহমিনা ইয়াসমিন যশোর শহরের রেলগেট ষষ্ঠীতলা এলাকার বাসিন্দা। তিনি যশোরের মধুসূদন তারা প্রসন্ন উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় ও যশোর ক্যান্টনমেন্ট কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন।

গত নভেম্বরে গ্রিন লাইফ হাসপাতালের সার্জন অধ্যাপক ডা. নিশাত বেগম তাহমিনার ব্রেস্ট ক্যানসার শনাক্ত করেন। পরে ল্যাবএইড হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. খাদেমুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে ৭ ডিসেম্বর ব্রেস্ট অপারেশন (মাস্টেকটমী) করানো হয়। অপারেশনসহ যাবতীয় চিকিৎসায় প্রায় তিন লাখ টাকা ব্যয় হয়। এক মাস ডা. খাদেমুলের তত্ত্বাবধানে থাকার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) অনকোলজি বিভাগে পাঠানো করা হয় তাকে।

অনকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান ডা. মো. সারোয়ার আলম ও ডা. রিফাত সব রিপোর্ট পর্যবেক্ষণ করেন। ‘হার-২ পজিটিভ’ হওয়ায় আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য আটটি কেমোথেরাপি, আটটি রেডিওথেরাপি ও ১৭টি অ্যান্টিবডির (হরমোন থেরাপি) প্রয়োজন হবে বলে জানান চিকিৎসকেরা। যার একটির মূল্য প্রায় এক লাখ টাকা। এ ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের রিপোর্ট (প্রতিবার কেমোথেরাপি দেওয়ার আগে ও পরে) করাতে হবে। তাতে আরও দুই থেকে তিন লাখ টাকাসহ প্রায় পঁচিশ লাখ টাকার প্রয়োজন হবে।

এর মধ্যে ডা. মো. সারোয়ার আলম ও ডা. রিফাতের তত্ত্বাবধানে চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি প্রথম কেমোথেরাপি দেওয়া হয় তাহমিনাকে। বর্তমানে চারটি কেমোথেরাপি শেষ হয়েছে। পঞ্চম কেমোথেরাপি দেওয়ার তারিখ আগামী ৩১ মার্চ।

তাহমিনার পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি তার স্বামী মো. আনিছুর রহমান। তার একার পক্ষে এই বিশাল ব্যয় বহন করা কোনোভাবেই সম্ভব না হওয়ায় চরম হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন তাহমিনা ও তার পরিবার।

আর তাই কোনো উপায় না পেয়ে সমাজের হৃদয়বান ও বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

বিকাশ নম্বর : ০১৭২৯৭২২৮৬৩ (পার্সোনাল)

Bank : DBBL, Dhanmondi, Dhaka

Name : Tahamina Yesmin

A/C No : 1101510078593