করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে বিভিন্ন স্থানে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা বিদেশফেরতদের বাড়িতে লাল নিশানা টানিয়েছে স্থানীয় উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসন। এর মধ্যে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে মানিকগঞ্জ সদরে বেশ কয়েকজন বিদেশফেরতের বাড়িতে লাল নিশানা ও হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার সময় উল্লেখ করে স্টিকার লাগিয়েছে উপজেলা কমিউনিটি পুলিশিং ফোরাম। পাশাপাশি সেসব বাড়িতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার, সাবান ও মাস্ক বিতরণ করা হয়। এছাড়া পর্যায়ক্রমে প্রায় চার শতাধিক প্রবাসীর বাড়িতে এ কার্যক্রম চালানো হবে বলেও জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে করোনা প্রতিরোধের অংশ হিসেবে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ১৩০ বিদেশফেরতের বাড়িতে লাল নিশানা টানানো হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল মালেকের তত্ত্বাবধানে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। তিনি জানান, করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধ ও এলাকাবাসীকে সচেতন করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সামনেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ৭ জেলায় মোট ৪৬৮ জনকে নতুন করে হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ১৫ জনকে নতুন করে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এ নিয়ে হোম ও হাসপাতাল কোয়ারেন্টাইন পালনকারীর মোট সংখ্যা দাঁড়াল ৮৬ জনে। সুনামগঞ্জে ১০১ জন নতুনসহ মোট ৩৯৮ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন। নীলফামারীতে নতুন ১৮ জনসহ মোট সংখ্যা ২০৩ জন। টাঙ্গাইলে নতুন ১৫২ জনসহ মোট ৭২০ জন। দিনাজপুরে নতুন ৩৬ জনসহ মোট ১৯৭ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন। বাগেরহাটে নতুন ১১৫ জনসহ মোট ১১৪৪ জন রয়েছেন হোম কোয়ারেন্টইনে। শরীয়তপুরে নতুন ৩১ জনসহ মোট ৩৬১ জন হোম কোয়ারেন্টাইন পালন করছেন।