নওগাঁয় পরকীয়ার জেরে সাত বছরের শিশু সুমাইয়া আক্তারকে গলা টিপে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার মা তামান্না বেগমের বিরুদ্ধে।
শনিবার ১১ টার দিকে সদর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর সরদার পাড়া গ্রাম থেকে থানা-পুলিশ ওই শিশুর লাশ উদ্ধার করে ।
নিহত সুমাইয়া আক্তার ওই গ্রামের সৌদিপ্রবাসী সিরাজুল ইসলামের মেয়ে। ঘটনার পর থেকেই শিশুটির মা তামান্না বেগম পলাতক রয়েছে।
প্রতিবেশী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো রাতের খাবার শেষে মা তামান্না বেগম ও মেয়ে সুমাইয়া ঘুমিয়ে পড়ে। সকালে সুমাইয়ার দাদি তাদেরকে ডাকতে যায়। সুমাইয়ার দাদি একাধিকবার ডাকাডাকি করেও কোন সাড়া না পাওয়ায় ঘরের দরজায় ধাক্কা দিলে দরজাটি খোলা দেখতে পান। ঘরের ভেতরে সুমাইয়াকে দেখতে পেলেও তার মা তামান্না বেগমকে ঘরে দেখেতে পাননি।
সুমাইয়ার শরীরে হাত দিয়ে ডেকেও কোন সাড়া না পেয়ে তার দাদি কান্নাকাটি শুরু করেন। এ সময় প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে খাটের ওপর সুমাইয়াকে সাড়াশব্দহীন পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে সংবাদ দেয়। থানা-পুলিশ সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে শিশু সুমাইয়ার লাশ উদ্ধার করে।
নওগাঁ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোহরাওয়ার্দী হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে দেশ রূপান্তরকে বলেন, শিশুটির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে শুক্রবার দিবাগত রাতের কোন এক সময়ে শিশুটির গলা টিপে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের পর শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
তিনি জানান, ঘটনার পর থেকে শিশুটির মা তামান্না বেগম পলাতক রয়েছে। পরকীয়ার কারণে শিশুটিকে হত্যা করা হতে পারে বলে জানান ওসি।