সাজাপ্রাপ্ত সত্তরোর্ধ্ব ব্যক্তিদের মুক্তি দাবি অলি আহমদের

করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে যে প্রস্তুতি গ্রহণের প্রয়োজন ছিল সেটি নিতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ। একই সঙ্গে, সাজাপ্রাপ্ত সত্তরোর্ধ্ব ব্যক্তি যারা কারাগারে আছেন তাদের মুক্তি দাবি করেন তিনি।

রবিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণকারীদের অধিকাংশই বয়স্ক উল্লেখ করে তিনি এ দাবি জানান।

অলি আহমদ বলেন, করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে বর্তমানে সমগ্র জাতি এক ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। অন্যদিকে সরকার ধীর গতিতে অগ্রসর হচ্ছে। দীর্ঘদিন সময় পেয়েও জেলা পর্যায়ে করোনা পরীক্ষা-নিরীক্ষার সরঞ্জামাদি সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়েছে।

তিনি বলেন, জেলা-উপজেলা পর্যায়ে ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব ছিল সরকারের। সে দায়িত্ব পালনে তারা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। ফলে ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বাড়লে নিশ্চিত দেশবাসী গণহারে অকাল মৃত্যুর শিকার হতে হবে। তাই যত দ্রুত সম্ভব আক্রান্ত রোগী ও সম্ভাব্য আক্রান্ত রোগীদের সুচিকিৎসা করা। এছাড়া ভাইরাসের প্রকোপ যাতে না বাড়ে তার জন্য সতর্কতা ও প্রতিরোধমূলক যাবতীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য আহ্বান জানান অলি আহমদ।

বিবৃতিতে এলডিপির সভাপতি বলেন, ঢাকা থেকে ইতিমধ্যে প্রায় দেড় কোটি লোক সমগ্র বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এদের মধ্যে কেউ করোনা রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকলে তাদের মাধ্যমে পরিবার-পরিজন ও পাড়া-প্রতিবেশী আক্রান্ত হবে।

অলি আহমদ বলেন, বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে যারা মারা যাচ্ছেন তাদের বেশির ভাগই বয়স্ক। বাংলাদেশে যারা মারা গেছেন তাদের কয়েকজনের বয়সও ৬০ বছরের বেশি। করোনা ভাইরাস সংক্রমণে বয়স্করা বেশি ঝুঁকিতে আছেন। মারাত্মক ঝুঁকি বিবেচনায় বিভিন্ন দেশে কারাবন্দীদের মুক্তি দেওয়া হচ্ছে। আমি বাংলাদেশেও সাজাপ্রাপ্ত সত্তরোর্ধ্ব ব্যক্তিদের মুক্তি দাবি করছি।