ডিম-দুধ সরবরাহ নিশ্চিত করতে ডিসিদের নির্দেশনা

করোনাভাইরাসের ব্যাপক সংক্রমণ রোধে সরকারঘোষিত ছুটির মধ্যে পোলট্রি, ডিম, দুধ, মুরগির একদিনের বাচ্চার উৎপাদন, সরবরাহ ও পরিবহন স্বাভাবিক রাখতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নির্দেশনা দিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। গতকাল সোমবার এই নির্দেশনা দিয়ে জেলা প্রশাসকদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

চলমান পরিস্থিতিতে পোলট্রি, ডিম, একদিন বয়সের মুরগির বাচ্চা, হাঁস-মুরগির খাদ্য, মাংস ও দুগ্ধজাত পণ্যসহ অন্যান্য প্রাণী ও প্রাণিজাত পণ্য এবং কৃত্রিম প্রজনন সংক্রান্ত যাবতীয় সরঞ্জামাদি পরিবহন কার্যক্রম সচল রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে অনুরোধ জানিয়েছিল বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ কেন্দ্রীয় কাউন্সিল।

বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ কেন্দ্রীয় কাউন্সিল বলেছে, ‘ডিম, মাংস ও দুধ এগুলো পচনশীল দ্রব্যের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় দ্রুততম সময়ের মধ্যেই এ ধরনের খাদ্যদ্রব্য ভোক্তার কাছে পৌঁছে দেওয়া জরুরি। এ ছাড়া একদিন বয়সের মুরগির বাচ্চা ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ডিলারের দোকানে পৌঁছে দিতে না পারলে প্রতিদিন প্রায় ৩০ লাখ মুরগির বাচ্চা মারা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে কিছুদিনের মধ্যেই ডিম ও মুরগির মাংসের স্বাভাবিক জোগান ঘাটতি পড়বে।’

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের সঙ্গে একমত পোষণ করেন। এমতাবস্থায় পোলট্রি, ডিম, একদিন বয়সী মুরগির বাচ্চা, হাঁস-মুরগি-গবাদি পশুর খাদ্য, মাংস, দুগ্ধজাত পণ্য, অন্যান্য প্রাণী ও প্রাণিজাত পণ্য এবং কৃত্রিম প্রজনন সংক্রান্ত যাবতীয় সরঞ্জামাদিসহ মাছ, মাছের পোনা ও মৎস্য খাদ্য সরকার ঘোষিত ছুটির সময়ে উৎপাদন, পরিবহনসহ বিপণন রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হয়েছে।