ইংলিশ কাউন্টিগুলোর জন্য বড় ফান্ড

করোনাভাইরাসের কারণে প্রতিটি দেশের ক্রীড়াঙ্গন ক্ষতিগ্রস্ত। ক্ষতিগ্রস্ত ক্লাবগুলো। সবচেয়ে ব্যস্ত থাকা ইংলিশ ফুটবল ও কাউন্টিগুলোরও একই অবস্থা। আয় না থাকায় নিজেদের অস্তিত্ব নিয়েও শঙ্কায় অনেক ক্লাব। এমন সময় ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) তাদের সংশ্লিষ্ট কাউন্টিদের স্বস্তির খবর শোনাল। আর্থিক ক্ষতি মোকাবিলায় মঙ্গলবার মোট ৬১ মিলিয়ন পাউন্ডের সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে ইসিবি।

জাতীয় দলের খেলা বছরজুড়েই থাকে। রুট-স্টোকস-মরগ্যানরা তাই নিশ্চিন্ত। কিন্তু ক্লাবগুলোকে তাকিয়ে থাকতে হয় ক্রিকেট মৌসুমের দিকে। পাশাপাশি জাতীয় দলের বাইরের ক্রিকেটাররাও এই মৌসুমের দিকেই তাকিয়ে থাকেন। ইংল্যান্ডের ক্রিকেট মৌসুমের শুরুটা করোনাভাইরাসের কারণে পিছিয়ে ২৮ মে পর্যন্ত চলে গেছে। ওই সময়েও মৌসুম শুরু হবে কি না তা নিয়ে বিস্তর অনিশ্চয়তা। মৌসুম আরও পিছিয়ে যাওয়ার ভয় মাথায় নিয়ে ক্লাব-কাউন্টিগুলোর জন্য আর্থিক জরুরি পরিকল্পনা করছে ইসিবি। তারা এক বিবৃতিতে জানায়, ‘মে থেকে জুলাইয়ের প্রথম দিকে প্রথম শ্রেণির কাউন্টিগুলোকে (এফসিসি) এবং তাদের কাউন্টি ক্রিকেট বোর্ডগুলোতে বিতরণের জন্য অবিলম্বে প্রায় ৪০ মিলিয়ন পাউন্ড দেওয়া হবে।’ এই সঙ্গে এফসিসিগুলোকে দুই বছরের জন্য কিস্তিতে যে রক্ষণাবেক্ষণ ফান্ড দেওয়া হতো তা একসঙ্গে সরবরাহ করা হবে বলেও জানায় ইসিবি। এর পাশাপাশি যে কাউন্টিগুলো রক্ষণাবেক্ষণ ফান্ড পাওয়ার উপযুক্ত নয় তারাও মোট ৫.৫ মিলিয়ন পাউন্ড পাবে।

ইসিবির প্রধান নির্বাহী টম হ্যারিসন বলেছেন, ‘আমরা বুঝতে পেরেছি যে এটা চ্যালেঞ্জপূর্ণ সময় এবং ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের প্রতিটি স্তরে ক্রিকেট পরিবারের সব সদস্যকে দ্রুত এবং তাৎক্ষণিক সহায়তা দেওয়া আমাদের অগ্রাধিকার।’ সব এফসিসির জন্য আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট ও ম্যাচ স্টেজিং ফিও চার মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। তার মানে মার্চ, এপ্রিল, মে ও জুন এই সময়ে কোনো মাঠে যদি কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ হতো সেটি ২০২০-এর যেকোনো সময় আয়োজিত হলেও ওই ভেন্যুকে আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজন ফি দিতে হবে না। ইন্টারনেট।