রতন কাহারকে প্রাপ্য সম্মান দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেন বাদশা। সেই সঙ্গে এই গায়ক-গীতিকারের অন্যান্য গান নিয়েও আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বলিউডের জনপ্রিয় র্যাপার। অবশ্য সে প্রতিশ্রুতির কথা এখনো জানেন না ‘বড়লোকের বিটি লো’র স্রষ্টা রতন কাহার।
সম্প্রতি ‘গেন্দাফুল’ নামে গানটির রিমেক করে যথেষ্ট বিড়ম্বনাতে পড়তে হয়েছে বাদশাকে। কারণ লোকগীতিটি যার সৃষ্টি, সেই রতন কাহারের নাম কোথাও উল্লেখ করা হয়নি।
পরিস্থিতি বিবেচনায় ৩১ মার্চ ‘গেন্দাফুল’ গান ও রতন কাহার প্রসঙ্গে মুখ খুলতে বাধ্য হন বাদশা। সোশ্যাল মিডিয়ায় তার বক্তব্য ছিল এই রকম, “আমি ওই গান রচয়িতার নাম খোঁজার চেষ্টা করেছি। কিন্তু খুঁজে পাইনি। ২৬ মার্চ আমি জেনেছি, রতন কাহারের নাম। আমি জানি উনি একজন মহান শিল্পী। শুনেছি, তার অর্থনৈতিক অবস্থাও ভালো নয়। আমি তাকে সম্মান দিয়ে সাহায্য করতে চাই।”
জানান, ‘বড় লোকের বিটি লো’-র ক্ষেত্রেও কোনো খারাপ অভিসন্ধি ছিল না। “লকডাউন না থাকলে আমি রতন কাহারের বাড়ি চলে যেতাম।”
এক কুমারী মায়ের সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল রতন কাহারের। তার ঘটনা নিয়েই গান বাঁধেন শিল্পী। এর পর ১৯৭২ সালে আকাশবাণীতে গানটি রেকর্ড করেছিলেন তিনি। পরে ১৯৭৬ সালে সেই গান রেকর্ড করে বিপুল জনপ্রিয়তা পান স্বপ্না চক্রবর্তী।
সম্প্রতি বিষয়টি নিয়ে পোস্ট দেন বীরভূমের শিল্পী অতনু বর্মন। তিনি বলেন, “বাদশার টিমের দীপঙ্কর রায় ফোন করে জানিয়েছেন, তারা শিল্পীকে সম্মান দিতে রাজি। তবে প্রমাণ চাই। সেই মতো বেশ কিছু তথ্য আমি তাকে পাঠাই।”
দীপঙ্কর স্থানীয় এই সময়কে বলেন, “রতন কাহারের প্রসঙ্গে বাদশার সঙ্গে আমার বিস্তারিত কথা হয়েছে। ও নিজে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক কিছুই জানিয়েছে। আমাকে বাদশা বলেছে, শুধু অর্থ সাহায্যই নয়, রতনবাবুর প্রাপ্য সম্মানও দেওয়া হবে। এই মিউজিক ভিডিওটি রিলিজ হয়ে গিয়েছে। পুনঃসম্পাদনা করে সহ-গীতিকার হিসেবে রতনবাবুর নাম অ্যালবামে দেওয়া হবে।”
শোনা যাচ্ছে, বাদশা বাংলা লোকগানের প্রেমে পড়েছেন। তাই আগামী দিনে রতন কাহারের অন্য গান নিয়েও কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি।