এপ্রিলের শেষে ভারতে করোনার চূড়ান্ত আঘাত: দেবী শেঠি

ভারতের নারায়ণ ইনস্টিটিউট অব কার্ডিয়াক সায়েন্সেসের প্রতিষ্ঠাতা ডা. দেবী শেঠি বলেছেন করোনাভাইরাস এপ্রিলের শেষে বা মে মাসের শুরুতে দেশটিতে চূড়ান্ত আঘাত করবে।

এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমরা (ভারত) করোনা সংক্রমণে ভারতের চেয়ে এক মাস পিছিয়ে আছি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে শুক্রবার তিনি ওই সাক্ষাৎকার দেন।

ভারতে প্রচুর পরিমাণে করোনার পরীক্ষা শুরু করা জরুরি কি না, এ প্রশ্নের জবাবে দেবী শেঠি বলেন, পরীক্ষার করলেই এ রোগ সারিয়ে তোলা সম্ভব না। এর জন্য প্রয়োজন আলাদা করা, কোয়ারেন্টাইনে নেয়া এবং যদি প্রয়োজন হয় স্থানীভাবে লকডাউনে যাওয়া। আমি নিশ্চিত বিপুল পরিমাণে পরীক্ষার সুযোগ তৈরির আগ পর্যন্ত এভাবে আমরা ভালো ফল পাব।

ভারতীয়দের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি, এটা কি আসলেই সত্য না কেবলই এক মিথ- এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের সব সময় খারাপ অবস্থার কথা মাথায় রেখে প্রস্তুতি নিতে হবে। আমাদের ভাবতে হবে করোনাভাইরাস চীন, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি এবং ইউরোপে যে আচরণ করেছে এখানেও (ভারতে) একই আচরণ করবে। যদি ভারতীয়দের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি হয়েই থাকে, আর তা এ ভাইরাস প্রতিরোধে সক্ষম হয়- তাহলে আমরা খুব খুশি হব। আমরা ভারতীয়রা আর অন্য মানুষদের মতোই।

তিনি বলেন, ২১ দিনের লকডাউন মৃত্যুর সংখ্যা ৫০ ভাগে কমিয়ে দেবে।

দেবী শেঠি বলেন, এখন দায়িত্ব মানুষের, সরকারের কিছু করার নেই।

ভিটামিন সি, রসুন, পানি- এসব খাওয়া বিষয়ে তিনি বলেন, কেউ চাইলে এসব খেতে পারেন, যেহেতু এগুলো ক্ষতিকর নয় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। তবে এমন কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই যে কভিড মোকাবিলায় এগুলো কাজে আসবে।

একই সঙ্গে ভালো ঘুম, ব্যায়াম এসবও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক বলে দেবী শেঠি জানান।