কুমিল্লা থেকে আরও ৭ জনের নমুনা সংগ্রহ, এক বাড়ি লকডাউন

করোনোভাইরাসের উপসর্গ থাকায় কুমিল্লা থেকে আরও ৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় আইইডিসিআরে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া দেবীদ্বারে একটি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।

দাউদকান্দি থেকে নমুনা সংগ্রহ করা ব্যক্তি রবিবার সকালে মারা যান। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী তাকে দাফন করা হয়। এছাড়া, কুমিল্লা শহরের বাগিচাগাঁও থেকে একজনের, দেবীদ্বার থেকে দুজনের, চৌদ্দগ্রাম থেকে দুজনের ও মুরাদনগরের একজনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

এদিকে গত বৃহস্পতিবার করোনা আক্রান্ত সন্দেহে নমুনা সংগ্রহ করা নয়জনের নেগেটিভ রেজাল্ট এসেছে।

কুমিল্লা ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. শাহাদাত হোসেন জানান, রবিবার কুমিল্লা থেকে মোট ৬ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। আইইডিসিআর জেলা ভিত্তিক যে পজিটিভ সংখ্যা ম্যাপে দিয়েছে তাতে কুমিল্লা জেলায় একজন দেখানো আছে। তিনি ব্রাহ্মণপাড়ার। তবে তিনি কুমিল্লা আসার সুযোগ পাননি। ঢাকা বিমানবন্দর থেকে তাকে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে আইসোলেশনে রাখা হয়েছিল। পরে পরীক্ষায় পজিটিভ আসে।

কুমিল্লা দেবীদ্বার থেকে স্বাস্থ্য সহকারী জানান, ঢাকায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়া পিতার দুই মেয়ে দেবীদ্বারের নানি বাড়িতে চলে আসায় কুমিল্লা দেবীদ্বার জেলা পরিষদ সদস্য মো. শাহজাহান সরকারের বাড়ি লকডাউন ঘোষণা করেছে উপজেলা প্রশাসন।

রবিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের তুলাগাঁও গ্রামে বাড়িটি লকডাউন ঘোষণা করেন দেবীদ্বার সহকারী কমিশনার ভূমি মোসা. সাহিদা আক্তার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহমেদ কবীর।