চীনের সাফল্যের পর জাপানি ফ্লুর একটি ওষুধ করোনাভাইরাস মোকাবিলায় কার্যকরী মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে জাপানেও অ্যাভিগান নামে ওষুধটির ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু হয়েছে।
করোনা প্রতিরোধে এবার ইরান সেই ওষুধ বানাল। দেশটির সরকারি বার্তা সংস্থা ইরনা এই খবর জানায়।
দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. আলী আকবর বেলায়েতি জানান, রাজধানী তেহরানের শহিদ বেহেশতি চিকিৎসা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগ ওষুধটি তৈরি করেছে এবং তা হাসপাতালকে সরবরাহ করেছে।
দেশটির এই সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, তেহরানের এই হাসপাতালে করোনা রোগীদের সব চিকিৎসা-সেবা বিনামূল্যে দেয়া হচ্ছে।
সাধারণ ঠান্ডা-সর্দির চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় অ্যাভিগান নামে ওষুধটি, যেটির জেনেরিক নাম ফ্যাভিপিরাভির।
কয়েক বছর আগে জাপানে সংক্রমিত হওয়া নতুন একটি ইনফ্লুয়েঞ্জার ওষুধ সেটি। ফুজিফিল্ম টয়ামা কেমিক্যাল নামে এক জাপানি কোম্পানি ২০১৪ সালে ওষুধটি প্রস্তুত করে।
এই ওষুধ ব্যবহার করে করোনা চিকিৎসায় দারুণ সাফল্য পায় বলে দাবি করে চীন। দেশটির ট্রায়ালে দেখা যায়, যাদের ওই ওষুধ দেওয়া হয়েছিল, অন্যদের তুলনায় তারা দ্রুত সেরে ওঠেন।
এদিকে ইরানে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে সাড়ে ৬০ হাজারে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে মারা গেছেন ৩ হাজার ৭৩৯ জনে। যদিও সরকারের প্রকাশ করা এই তথ্য নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা। তাদের দাবি, ইরান করোনা সংক্রান্ত তথ্য গোপন করছে।