পাবনার ঈশ্বরদীতে দুইটি বাড়ির সামনে বোমা সাদৃশ্য বস্তু রেখে গেছে দূর্বৃত্তরা।
মঙ্গলবার ভোরে উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের দিয়াড় বাঘইল গ্রামের হাজি পাড়ায় ক্লাবমোড়ের (করিমের মিল সংলগ্ন) শফিকুল ইসলাম প্রামানিক ও আব্দুল গাফফারের বাড়ির সামনে এ বোমা সাদৃশ্য বস্তু রাখা হয়।
এই খবর জানাজানি হলে ওই দুই বাড়িসহ পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে পুলিশ, র্যাব, ডিবিসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ওই বাড়িসহ পুরো এলাকা ঘিরে রাখে।
এটি প্রকৃত বোমা নাকি বোমা সাদৃশ্য অন্য কোনো বস্তু সেটি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে পুলিশ জানিয়েছে, ঢাকা থেকে বোমা ডিসপোজাল ইউনিট আসছে। তারা এলেই আসল রহস্য জানা যাবে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পলিথিনে মোড়ানো ইলেকট্রিক মোটা তারে একটি বোমা সাদৃশ্য বস্তু বোঝা যাচ্ছে। আরেকটি মোটামুটিভাবে ব্যাটারি বলে মনে হচ্ছে। দুটি বোমা সাদৃশ্য বস্তুর সাথেই লম্বা বৈদ্যুতিক তারের সংযোগ রয়েছে।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন পাবনা পুলিশ সুপার শেখ রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গৌতম কুমার, ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফিরোজ কবির, ঈশ্বরদী থানার ওসি বাহাউদ্দীন ফারুকীসহ পাবনা র্যাবব, ডিবি ও ঈশ্বরদী ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা।
তারা বাড়ি দুটির সামনে অবস্থান নিয়েছেন। পুরো এলাকায় যানবাহন ও মানুষ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন।
বাড়ির মালিক শফিকুল ইসলাম জানান, গত বছরের ৮ জুন তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে কে বা কারা উড়ো চিঠি দেয়।
গত চারদিন পূর্বে বাড়ির সামনে পেট্রোল ঢেলে রেখে যায় অজ্ঞাত ব্যক্তিরা। এসব ঘটনায় তিনি চরমভাবে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানান। ঈশ্বরদী থানায় পৃথকভাবে তিনি সাধারণ ডায়েরি করেছেন।
এসব বিষয়ে ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফিরোজ কবির সাংবাদিকদের জানান, ঢাকা থেকে র্যাবের বোমা নিস্ক্রিয় টিমকে খবর দেওয়া হয়েছে, তারা এলে এটি নিস্ক্রিয় করতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তাছাড়া বোমা সাদৃশ্য ওই বস্তুটি বালুর বস্তা দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে।