নভেল করোনাভাইরাসে চীনে ঠিক কী পরিমাণ মানুষ মারা গেছেন, যাচ্ছেন; সেটি নিয়ে বিতর্ক চলছে কয়েক মাস ধরে। ভাইরাসটি মোকাবিলায় চীন সাফল্য পাওয়ার দাবি করলেও অনেক দেশ সেটি মানতে নারাজ। দেশটির দাবি কেন বিশ্বাসযোগ্য নয়, সেটি নিয়ে বিবিসি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সেখানে একাধিক যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে।
মৃতের সংখ্যা কম দেখানোয় চীন রীতিমতো কুখ্যাত। অতীতে অনেক দুর্যোগে তারা এই কাজ করেছে। চীনকে বিশ্বাস না করার প্রাথমিক কারণ এটি।
দেশটির স্থানীয় অনেক বাসিন্দা জানিয়েছেন, করোনাভাইরাসে মারা যাওয়াদের সৎকার করতে বিশাল ফাঁকা যায়গা নির্ধারণ করে দিয়েছে দেশটির কমিউনিস্ট সরকার। সেখানে ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন শতশত মানুষকে রাখা হয়েছে। অথচ বলা হচ্ছে সব মিলিয়ে সাড়ে তিন হাজারের কম মানুষ মারা গেছে!
যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী পত্রিকা ‘ওয়াশিংটন পোস্ট’-এর প্রতিবেদনেও একই দাবি করা হয়েছে।
চীনের সাময়িকী ‘ক্যাক্সিন’-এর তথ্য উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে বলা হয়, উহানের হানকাউ নামের একটি শ্মশানে প্রতিদিন ১৯ ঘণ্টা ধরে মৃতদেহ সৎকার হয়েছে। মাত্র দুদিনে সেখানে ৫ হাজার মানুষের মরদেহ পোড়ানো হয়।
অনলাইনে পোস্ট করা ছবি ব্যবহার করে একটা হিসাব বের করা হয়েছে। এ হিসাবে গত ২৩ মার্চ থেকে মৃতদেহ সৎকার শেষে উহানে শব বা মৃতদেহের ছাই ভরা ৩ হাজার ৫০০ কলস ফিরে এসেছে প্রতিদিন।
এই হিসাবে ‘ওয়াশিংটন পোস্ট’-এর প্রতিবেদনে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত ১২ দিনে উহানে ৪২ হাজার মানুষের মৃত্যুর তথ্য উঠে এসেছে!