কেউ সাদা পোশাকে পুলিশ অথবা কোনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে কারও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বা বাড়িতে অভিযানে গেলে, তাদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার নির্দেশ দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাউল করিম। গত শুক্রবার রাতে তিনি এ নির্দেশ দেন।
বৃহস্পতিবার রাতে তমরদ্দি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের সামনে পুলিশ পরিচয়ে দুটি দোকান লুঠের অভিযোগ ওঠে। এ সময় উপস্থিত সাংবাদিক ছাইফুল ইসলামসহ জনতা ভুয়া পুলিশ নিশ্চিত হয়ে রাসেল (২২) ও ওছমান (২৮) নামে দুজনকে আটক করে তমরদ্দি পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশের হাতে তুলে দেন। বাকি তিনজন পালিয়ে যায়।
পুলিশ জানায়, রাসেল ওছখালীর গরু ব্যাপারী নাছিরের ছেলে এবং ওছমান তমরদ্দির ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নুরুজ্জমান ছুকু মেম্বারের ছেলে। তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পুলিশ হাতিয়া থানার সুইপার রাজিবকেও (৩০) আটক করে। আটক তিনজন থানা হাজতে রয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাউল করিম সাংবাদিকদের জানান, ‘আমি জনগণকে সতর্ক থাকার জন্য এ পোস্ট দিয়েছি। আগের রাতের ঘটনার খোঁজ নিচ্ছি’। হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবুল খায়ের বলেন, তমরদ্দিতে দোকানঘর লুটের ঘটনায় অভিযুক্ত তিনজন থানায় আটক রয়েছে। এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি।