রুটিনমাফিক অ্যান্টিবায়োটিক ইনজেকশন নিতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন লিভারপুল কিংবদন্তি ক্যানি ডালগ্লিশ। ওই সময় তার শরীরে ধরা পড়ে কভিড-১৯ এর উপস্থিতিও। তাতে দৃঢ়তা হারাচ্ছেন না। বরং আপাতত চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে এসেছেন সাবেক এই স্কটিশ ফুটবলার।
নিজের বাড়িতে আইসোলেশনে থেকেই করোনার চিকিৎসা চালিয়ে যেতে চান ডালগ্লিশ। সুখবর হলো, কভিড-১৯ পরীক্ষা ‘পজেটিভ’ আসলেও তার শরীরে এই রোগের কোনো লক্ষণ নেই।
হাসপাতালে ন্যাশনাল হেলথ সাভির্স-এনএইচএসের কর্মীদের সেবায় মুগ্ধতা প্রকাশ করে দ্য সানডে পোস্টকে ৬৯ বছর বয়সী ডালগ্লিশ বলেন, “মানুষ ভাবতে পারে নামের কারণেই আমি সর্বোচ্চ সেবা পেয়েছি। আসলে এনএইচএসে প্রত্যেক রোগীই সর্বোচ্চ সেবা পাচ্ছে। এমন স্বাস্থ্যকর্মীর দল পেয়ে জাতি হিসেবে আমরা ভাগ্যবান।”
লিভারপুলের কিংবদন্তি খেলোয়াড়দের মধ্যে অন্যতম ডালগ্লিশ। ক্লাবটির হয়ে খেলোয়াড় হিসেবে ১৩ বছরের ক্যারিয়ারে ৫১৫টি ম্যাচ খেলে ১৭২টি গোল করেন এই স্ট্রাইকার। এরপর লিভারপুলের হয়ে দুই মেয়াদে কোচের দায়িত্বও পালন করেন তিনি।
কোচ ও খেলোয়াড় হিসেবে লিভারপুলকে আটবার জিতিয়েছেন ইংলিশ লিগ শিরোপা, তিনবার করে জিতেছেন এফএ কাপ ও ইউরোপিয়ান কাপ। তার সময়ের লিভারপুল ক্লাবটির ‘সোনালি যুগ’ হিসেবে পরিচিত।
কোচ হিসেবে ব্ল্যাকবার্ন রোভার্সের হয়েও খ্যাতি ছড়ান ডালগ্লিশ। তার অধীনে ১৯৫৫ সালে প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা জিতেছিল রোভার্স।
স্কটল্যান্ডের জার্সিতে একশোটির বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন ডালগ্লিশ। ফুটবলে অসাধারণ অবদানের জন্য ২০১৮ সালে তাকে নাইট উপাধি দেয় বৃটেনের রাজ পরিবার।