নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও একাধিক মামলার আসামি হুমায়ন রশীদ দারুন (৩৭) গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। সোমবার সন্ধ্যায় শহরের বাবুরাইলের বাসায় গলায় ফাঁস দেন তিনি।
পরে তাকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ ১শ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ জানায়, দারুন শহরের ডিআইটি ও আশপাশ এলাকাবাসীর কাছে এক আতঙ্কের নাম ছিল। একাধিকবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তিনি।
পরিবারের একটি সূত্র জানায়, বিকেলে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া হয় দারুনের। এর পরেই নিজ ঘরের ভেতরে গলায় ফাঁস দেন তিনি।
ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শাহাদাত হোসেন দেশ রূপান্তরকে বলেন, শুনেছি সন্ত্রাসী দারুন গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
জানা গেছে, ২০১৭ সালের ১৮ জুলাই রাতে শহরের ডিআইটি বাণিজ্যিক এলাকা থেকে সন্ত্রাসী দারুন পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। ডিআইটি এলাকায় প্রকাশ্যে গাড়িচালক বিপ্লব ও তার বাবাকে পেটানোর মামলায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছিল।
এরপর ২০১৮ সালের ৫ জুলাই ডাকাতি মামলায় গ্রেপ্তার হন দারুন। এছাড়া এর আগে একাধিকবার গ্রেপ্তার হন তিনি। তিনি ছিলেন শহরের দক্ষিণাঞ্চলের মূর্তমান আতঙ্ক।