করোনাভাইরাসের ভয়ে মানুষ ঘরে বন্দী। রাস্তায় যানবাহন না থাকায়, বাইরে মানুষের চলাফেরা না থাকায় প্রকৃতি আবারও ফিরছে আগের রূপে। ইতিমধ্যেই বায়ু দূষণের মাত্রা কমে গেছে। পাখ-পাখালিরাও অবাধে চলাচল করতে পারছে। প্রকৃতি যেন হেসে উঠেছে নতুন আনন্দে। আর এই আনন্দের রূপ ধরা পড়ল অভিনেত্রী জ্যোতিকা জ্যোতির চোখে। নববর্ষের দিনে তিনি লিখলেন অভিনব এক রচনা। জ্যোতির লেখাটি পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।
‘এবার মঙ্গল শোভাযাত্রা শেষে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হবে স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু স্মরণে! কারণ প্রাণীকুল জানে যে, পৃথিবী বিখ্যাত বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসু এই বাংলাদেশের সন্তান! এবার রমনার বটমূলে? সংগীত পরিবেশন করবে কাঁটাবনের বন্দী সব পাখি, যারা সবাই খাঁচা ভেঙে মুক্ত হয়েছে! এবার মানুষও নেই, সেনাবাহিনীও নেই তাই চিম্বুক পাহাড়ে আনন্দে ভাসবে মাছেরা!
এবার বৈশাখে দেশের বিভিন্ন জায়গায় নৌকাবাইচের আয়োজন করেছে ইলিশ মাছেরা। যে যেমন খুশি তেমন সাজো প্রতিযোগিতায় লাল কাঁকড়ারা নাকি পলাশ গাছ সাজাবে! আর প্রত্যেক এলাকার জোনাকিরা লেজার শো আয়োজন করেছে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা মানুষের জন্য।
এবার হালখাতা অনুষ্ঠানে নতুন খাতা খুলবে প্রকৃতি। পুরোনো বছরের সব পাওনা মিটিয়ে দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছে মানুষকে। এ ছাড়া আগামী দিনে মানুষের কাছ থেকে তাদের প্রাপ্য সবকিছুর হিসাব-নিকাশ থাকবে ওই খাতায়।’