করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালসহ অন্যান্য নির্ধারিত হাসপাতালে অন্তত ২০টি আইসিইউ (ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট), পর্যাপ্ত ভেন্টিলেটরসহ চিকিৎসা সরঞ্জাম ও স্বাস্থ্যকর্মী দ্রুত নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য সচিব ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে। ইমেইলের মাধ্যমে নোটিসটি পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম আবদুল কাইউম। নোটিসপ্রাপ্তির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এ বিষয়ে ব্যবস্থা না নিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন নোটিসদাতা আইনজীবী।
গতকাল বৃহস্পতিবার ব্যারিস্টার কাইউম দেশ রূপান্তরকে বলেন, করোনায় আক্রান্ত হয়ে সিলেটের কৃতী সন্তান ও ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. মো. মঈন উদ্দিন কুর্মিটোলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তার মৃত্যুর পরই সিলেটে করোনা চিকিৎসায় সরঞ্জামের ঘাটতির বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে। আমরা জানতে পেরেছি, সিলেটে করোনা রোগীর জন্য একটি ভেন্টিলেটরও নেই। শামসুদ্দিন মেডিকেলে ভেন্টিলেটর থাকলেও সেগুলো অচল। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সেখানে পর্যাপ্ত চিকিৎসা সরঞ্জাম চেয়ে এ নোটিস পাঠানো হয়েছে।
নোটিসে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে উদ্দেশ করে বলা হয়, ‘আপনারা সরেজমিনে শামসুদ্দিন হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ড, আইসিইউ ইউনিট পরিদর্শন ও পর্যবেক্ষণ করুন।
আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে একটা বিশাল বিভাগের করোনা সেবার পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতি (ভেন্টিলেটর-নেগেটিভ প্রেশার, এবিজি, কার্ডিয়াক মনিটর প্রভৃতি), সেন্ট্রাল অক্সিজেন সাপ্লাই, জেনারেটর ইত্যাদি নিশ্চিত করুন। সার্বক্ষণিক মেডিকেল টিম, স্বাস্থ্য সহকারীদের সার্বক্ষণিক উপস্থিতি নিশ্চিত করুন।