রানির ঘরে রাত পোশাকে গোবিন্দকে দেখে অবাক সাংবাদিক

বলিউডের কমেডি সিনেমায় আলোচিত নাম গোবিন্দ। শুটিং সেটে তার আচরণ এতটাই বন্ধুত্বপূর্ণ ছিল যে, নায়িকারা সহজেই প্রেমে পড়ে যেতেন।

১৯৮৫ সালে বলিউডে পা রাখেন গোবিন্দ। এর দুই বছর পর সুনীতা আহুজাকে বিয়ে করেন। তাই বলে প্রেম থেমে থাকেনি। বেশ কয়েকজন সহ-অভিনেত্রীর সঙ্গে তার নাম জড়িয়ে পড়ে।

এর মধ্যে গোবিন্দের সঙ্গে রানি মুখার্জির প্রেম নিয়ে চর্চা হয়েছে বেশি। এমনকি নায়কের বিবাহিত জীবনও ভাঙনের মুখে পড়ে।

নব্বইয়ের দশকের ‘হদ কর দি আপনে’ ছবিতে জুটি বাঁধেন তারা। রানি সবেমাত্র ইন্ডাস্ট্রিতে পা দিয়েছেন আর গোবিন্দ ইতিমধ্যেই হিট অভিনেতা। শুটিং সেটে গোবিন্দের ব্যবহার রানির মনে ধরে।খুব তাড়াতাড়ি দুজনে ভালো বন্ধু হয়ে যান।

শুটিং শেষ হয়ে গেলেও দুজনকে প্রায়ই একসঙ্গে দেখা যেতো এরপর তাদের সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন উঠে। একবার এক সাংবাদিক রানি মুখার্জির সাক্ষাৎকার নিতে সকাল সকাল তার বাড়িতে গিয়ে হাজির হন। সেখানে রাত পোশাকে দেখা যায় গোবিন্দকে।

বিতর্কের জেরে সরাসরি রানির নাম না নিলেও গোবিন্দ মুখ খুলেছিলেন। জানান, তিনি ভাগ্যে বিশ্বাস করেন এবং তার কুণ্ডলিতে নাকি দ্বিতীয় বিবাহ যোগ রয়েছে। স্ত্রী সুনীতাকে প্রস্তুত থাকতেও বলেন। তখন নাকি রানিকে গাড়ি, ফ্ল্যাট এবং হিরার গয়না উপহার দেন গোবিন্দ।

সুনীতা প্রথমে এই সম্পর্ক নিয়ে কিছু বলেননি। কিন্তু সংবাদ শিরোনাম হতেই আর চুপ থাকেননি। স্বামীকে বলেন, তার ও রানির মধ্যে একজনকে বেছে নিতে হবে। তারপর সন্তানদের নিয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে যান। এ দিকে রানিও বিয়ে জন্য জোরাজুরি করতে শুরু করেছিলেন।

গোবিন্দ এমনিতে সংসারী মানুষ। এই অবস্থায় ধন্দে পড়ে যান। এক সময় বুঝতে পারেন জীবনে স্ত্রী ও সন্তানদের গুরুত্ব বেশি, রানিও ক্রমশ সেটা টের পান। তাদের মধ্যে ব্রেকআপ হয়ে যায়।

এর অনেক বছর পর ২০১৪ সালে পরিচালক-প্রযোজক আদিত্য চোপড়াকে বিয়ে করেন রানি। তাদের ঘরে রয়েছে মেয়ে আদিরা।

আনন্দবাজার পত্রিকা অবলম্বনে