পলিমারেজ চেইন রিঅ্যাকশন (পিসিআর) ও পরিচালনার দক্ষ জনবল থাকা সত্ত্বেও শুধু পরীক্ষাগারের জৈবনিরাপত্তা পর্যাপ্ত না থাকায় করোনার পরীক্ষা শুরু করতে পারছে না রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি)।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টি থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আগ্রহ প্রকাশ করা হলেও এখনো কোনো সহযোগিতা করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়টির কৃষি অনুষদের জেনেটিক অ্যান্ড প্ল্যান্ট ব্লিডিং বিভাগ, প্ল্যান্ট প্যাথলজি বিভাগ, বায়োটেকনোলজি বিভাগ ও অ্যানিম্যাল সায়েন্স অ্যান্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের মেডিসিন অ্যান্ড পাবলিক হেলথ বিভাগের অধীনে ৬টি পিসিআর মেশিন রয়েছে, যেগুলো করোনার নমুনা পরীক্ষায় ব্যবহারযোগ্য। তা ছাড়া করোনা পরীক্ষায় মেশিনগুলো পরিচালনায় বিভাগগুলোর বেশ কয়েকজন শিক্ষক আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, যারা মলিকুলার বায়োলজিতে পিএইচডি করা। কিন্তু ল্যাবগুলোর কোনোটিতেই নেই পর্যাপ্ত জৈবনিরাপত্তা বা বায়োসেফটি, যা করোনা পরীক্ষার ক্ষেত্রে নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
যেহেতু নভেল করোনাভাইরাস অতিক্ষুদ্র অণুজীব, তাই এ ক্ষেত্রে পরীক্ষাগারের জৈবনিরাপত্তা দুই-তিন লেভেলে থাকতে হয়। এ বিষয়ে ভাইরাস নিয়ে গবেষণা করা বিশ্ববিদ্যালয়টির প্ল্যান্ট প্যাথলজি বিভাগের প্রফেসর ড. মো. বেলাল হোসাইন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এখানে উদ্ভিদের ভাইরাস নিয়ে কাজ করা হয়। ফলে ল্যাবের নিরাপত্তায় কিছুটা ঘাটতি রয়েছে।