স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ ডা. জাফরুল্লাহর

শনিবার করোনাভাইরাস শনাক্তের কিট সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তবে তিনি কিট তৈরিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলেছেন।

সোমবার রাতে দেশ রূপান্তরের কাছে এ মন্তব্য করেন তিনি।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ এর অধীন অন্যান্য সংস্থার মধ্যে সমন্বয়হীনতা কাজ করছে বলে অভিযোগ করেন জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর রক্ত চাওয়া হয়েছিল পাঁচ দিন আগে। কিন্তু সোমবার পর্যন্ত তা গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রকে সরবরাহ করা হয়নি।

কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষা করার জন্য এই রক্তের নমুনা চাওয়া হয়েছিল বলেও জানান তিনি।

জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, করোনাভাইরাস (কভিড-১৯) শনাক্তকরণের কিট তৈরির জন্য বিপুল অর্থের প্রয়োজন। কিট তৈরি ব্যয়বহুল। প্রথমে সরকারকে যে কিট সরবরাহ করা হবে পরবর্তীতে এই কিট তৈরিতে অনেক অর্থের প্রয়োজন হবে। এ জন্য সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে।

কিট তৈরির অগ্রগতি সম্পর্কে গণস্বাস্থ্য-আরএনএ বায়োটেকের পক্ষে গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল ডা. মুহিব উল্লাহ খন্দকার দেশ রূপান্তরকে বলেন, এ কিট উৎপাদনে কাজ করেছেন ড. বিজন কুমার শিল, ড. নিহাদ আদনান, ড. মোহাম্মদ রঈদ জমির উদ্দিন এবং ড. ফিরোজ আহমেদ।

তিনি বলেন, এ ধরনের কিট উৎপাদন করতে হাইটেক ল্যাব প্রয়োজন। ইতিমধ্যে গণস্বাস্থ্য-আরএনএ বায়োটেক একটি হাইটেক ল্যাব স্থাপন করেছে যেখানে কিট তৈরির কাজ চলছে। রবিবার থেকে কিট তৈরির কাজ শুরু করেছেন তারা। সরকারকে যে পরিমাণ কিট সরবরাহ করা হবে তা তৈরি করতে এক সপ্তাহ সময় লাগবে। কিট তৈরি শেষে তা সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে সরবরাহ করা হবে।

এর আগে গত শনিবার কিট সরকারের কাছে তুলে দেওয়ার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে তা সম্ভব হয়নি। এরপর সোমবার (২০ এপ্রিল) সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল।