অস্কারের জন্য প্রেক্ষাগৃহে সিনেমা মুক্তি বাধ্যতামূলক নয়!

সারা বিশ্ব এখন করোনাজনিত কোয়ারেন্টাইন সয়ে নিয়েছে। আর অন্যান্য শিল্পের মতো এর ধাক্কা অনেক দিন মোকাবিলা করতে হবে সিনে ইন্ডাস্ট্রিকে। এ কারণে এতদিনের নীতি থেকে সরে এসেছে অ্যাকাডেমি অব মোশন পিকচার্স আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সে।

এক বিবৃতিতে জানানো হয়, সামনের অস্কার আসরে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য প্রেক্ষাগৃহে সিনেমা মুক্তি বাধ্যতামূলক নয়।

করোনাভাইরাসের কারণ সারা বিশ্বে সিনেমা হল বন্ধ রয়েছে। বছরের শুরুতে মুক্তি পেতে যাওয়া অনেক সিনেমা পিছিয়ে গেছে, যা সারা বছরেই প্রভাব ফেলবে। যার প্রভাব অস্কারেও পড়তে পারে, এই কারণে নিজেদের নীতিতে সাময়িক পরিবর্তন এনেছে অস্কার কমিটি।

আগের বছরগুলোতে নেটফ্লিক্স ও অ্যামাজনের মতো স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মের সিনেমা মনোনয়নে থাকায় বেশ বির্তক উঠে। অস্কারের নীতি মেনে ‘রোমা’, ‘দ্য আইরিশম্যান’ বা ‘ম্যানচেস্টার বাই দ্য সি’র মতো সিনেমা অল্পসংখ্যক থিয়েটারে মুক্তি পায়। এ নিয়ে ভীষণ ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনেকে।

কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে অস্কারের ৯৩তম আসরের জন্য অ্যাকাডেমির কাছে সত্যিই ভালো কোনো বিকল্প নেই। তাই ওয়েবসাইটে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, চলতি বছরের যে সব সিনেমা করোনার কারণে স্ট্রিমিং সার্ভিস বা ভিওডি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাবে তাদের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি বলে বিবেচনা করা হবে।

তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সিনেমাটিকে কমপক্ষে সাতদিন প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হতে হবে।

আপদকালীন পরিস্থিতিতে আসা এই সিদ্ধান্ত নিঃসন্দেহে স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মগুলোর জন্য বড় খবর।