কিট যাচাই নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতাল কর্র্তৃপক্ষ ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের চিকিৎসকদের মধ্যে গতকাল শনিবার বৈঠক হয়েছে। আজ রবিবার আবারও বৈঠকে কতগুলো কিট নেবে ও কীভাবে পরীক্ষা হবে তা জানাবে বিএসএমএমইউ। গতকাল বিকেলে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী দেশ রূপান্তরকে এ তথ্য জানান।
ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক কনক কান্তি বড়ুয়ার নেতৃত্বে শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের এই বৈঠক হয়। তাদের উৎপাদিত ‘জি র্যাপিড ডট ব্লট’ কিটের কার্যকারিতা যাচাইয়ে বিএসএমএমইউ ছয় সদস্যের কমিটি গঠন করবে।
নানা নাটকীয়তা ও আলোচনা-সমালোচনার পর গত বৃহস্পতিবার গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র উদ্ভাবিত কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষার অনুমতি দেয় সরকারের ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে এ সংক্রান্ত সরকারি বিধিবিধান মেনে আবেদন করার পর ওই অনুমতি দেওয়া হয়। সেদিন ডা. জাফরুল্লাহ দেশ রূপান্তরকে বলেছিলেন, ‘আমাদের কিট বিএসএমএমইউ অথবা আইসিডিডিআর,বি’র যেকোনো একটিতে পরীক্ষা করার কথা বলেছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।’
তিনি আরও বলেছিলেন, ‘তারা একেকটি নমুনা কমপক্ষে পাঁচবার করে পরীক্ষা করে দেখেছেন। পরীক্ষায় তারা সফল হবেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ তাদের কাছে এই কিট চাইছে।’