সাভারে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ত্রাণের চাল বিক্রির অভিযোগ

সাভারে দুস্থদের জন্য দেওয়া খাদ্য অধিদপ্তরের সরকারি চাল বিক্রির অভিযোগ উঠেছে কাউন্দিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। করোনা পরিস্থিতিতে কর্মহীন হয়ে পড়া হতদরিদ্রদের জন্য দেওয়া ত্রাণের চাল তাদের না দিয়ে ৩০ কেজির প্রতি বস্তা চাল ৮০০ টাকা করে বাইরে বিক্রি করছেন ওই ইউপি চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠরা। তবে চাল বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত ইউপি চেয়াম্যান আতিকুর রহমান খান শান্ত। সরেজমিনে ঘুরে এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কাউন্দিয়া ইউনিয়নের সামাদনগর এলাকার অনেক বাসিন্দার কাছে খাদ্য অধিদপ্তরের সরকারি ত্রাণের চাল বিক্রি করা হয়েছে। ইউপি চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান খান শান্তর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত রুবেল নামে এক ব্যক্তির বাসা থেকে ৩০ কেজির প্রতি বস্তা চাল ৮০০ টাকা দরে অনেকেই কিনেছেন।

সামাদনগর এলাকার আবদুলের বাড়ির ভাড়াটে শেফালী বেগম দেশ রূপান্তরকে জানান, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান শান্ত খানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী রুবেলের বাড়িতে গিয়ে তার দাদির কাছ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকা দিয়ে তিন বস্তা চাল কিনেছেন তিনি।  একই বাড়ির আরেক ভাড়াটে ফাতেমা বলেন, ‘শুনেছি এলাকায় কমদামে চাল বিক্রি হচ্ছে। পরে আমিও ওই বাড়িতে (রুবেলের) গিয়ে ৮০০ টাকায় এক বস্তা ত্রাণের চাল কিনেছি।’

নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতা দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘চেয়ারম্যান শান্ত খান আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশকারী। দুস্থদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ত্রাণের চাল বাইরে বিক্রি করায় দলের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছে। তাই তাকে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানাই।’

অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান শান্ত দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘ত্রাণের চাল বিক্রির অভিযোগ সত্য নয়। সামাজিকভাবে আমাকে হেয় করতেই আপনাদের অসত্য তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে প্রতিপক্ষের লোকজন।’