দৈনিক ভোরের কাগজের অপরাধ বিষয়ক প্রতিবেদক আসলাম রহমানের মৃত্যুতে বিশিষ্টজনরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
শুক্রবার তথ্যমন্ত্রী, পুলিশের আইজিপিসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও সাংবাদিকদের সংগঠন আসলাম রহমানের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন।
তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ শোকবার্তায় বলেন, করোনা মহামারির সময় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কর্মরত সাংবাদিকদের আরও একজনকে আমরা হারালাম, যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।
বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) ড. বেনজীর গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে এক শোকবার্তায় বলেন, আসলাম রহমান ছিলেন নিষ্ঠাবান সাংবাদিক, অত্যন্ত বিনয়ী ও অমায়িক একজন মানুষ। তার সাথে বাংলাদেশ পুলিশের ছিল সৌহার্দ্যপূর্ণ পারস্পরিক পেশাগত সুসম্পর্ক। আইজিপি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।
এছাড়া আসলাম রহমানের মৃত্যুতে জাতীয় প্রেস ক্লাব, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন, বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনসহ (ক্র্যাব) বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন গভীর শোক প্রকাশ করেছে। তারা শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১১টার দিকে শ্বাসকষ্টে আসলাম রহমানের মৃত্যু হয়। আসলাম রহমান দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগে ভুগছিলেন। সম্প্রতি তার করোনা উপসর্গ দেখা দিলে টেস্ট করানোর পর তা নেগেটিভ আসে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৮ বছর।
তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। সাংবাদিক আসলাম রহমান ২০০০ সালে মানবজমিন পত্রিকায় সাংবাদিকতা শুরু করেন। ২০০৬ সালে তিনি সন্ধ্যাকালীন দৈনিক দিনের শেষে পত্রিকায় যোগ দেন। সেখান থেকে বছর তিনেক পর ভোরের কাগজে অপরাধ বিভাগে স্টাফ রিপোর্টার হিসাবে যোগ দেন। আসলাম রহমান একজন কবি। ‘জ্যোৎস্নার শহরে একা’ নামে তার একটি কাব্যগ্রন্থ রয়েছে। এ ছাড়া সাংবাদিকতা শুরুর আগে তিনি গানও করতেন। ‘যখনই আকাশ দেখবে, দেখবে তারারা ভাসছে’ নামে তার একটি গানের অ্যালবামও রয়েছে।
সাংবাদিক আসলাম রহমান জাতীয় প্রেস ক্লাবের স্থায়ী সদস্য, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) এবং বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) সদস্য।