ঢাকার কেরানীগঞ্জে লকডাউনে মুড়ি বিক্রিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন নিহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে তারানগর ইউনিয়নে গ্রামে।
এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ২০ এপ্রিল তারানগরের ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি ও ওয়ার্ড মেম্বার আলাউদ্দিন মেম্বারের চাচাতো ভাই রহম আলী কাজ না থাকায় একটি মুড়ির দোকান বসান। দোকান বসাতে বাধা দেন স্থানীয় যুবলীগ নেতা মো. জাকির ও মো. খাইরুল। এ নিয়ে আলাউদ্দিন মেম্বারের সঙ্গে জাকিরের অনেক তর্ক-বিতর্ক হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি খারাপ হলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয় ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এরপরে আলাউদ্দিন মেম্বারের লোকজন জাকিরকে পেয়ে চড়-থাপ্পড় দেয়।
বিষয়টি মিমাংসা করার জন্য ২৪ এপ্রিল ১ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার মো. হাবীব, ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি রুহুল আমিনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা শালিস বসান। শালিসেস দুই পক্ষ আবার ঝগড়ায় জড়িয়ে যায়। জাকিরের লোকজন দেশিয় অস্ত্র নিয়ে আলাউদ্দিন মেম্বারের লোকদের ওপর হামলা করে। আলাউদ্দিন মেম্বারের চাচাতে ভাই মো. জহিরুল ইসলাম মারামারি ঠেকাতে গেলে তার মাথায়ও কোপ দেওয়া হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হলে তাকে রাজধানীর আগারগাঁও নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত পরশু তাকে বাসায় নিয়ে আসা হয়। এরপর শুকবার রাত থেকে তার মাথায় আবার রক্তক্ষরণ শুরু হয়। পরে তাকে মিটফোর্ড হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।শনিবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
কেরানীগঞ্জ আটি ফাঁড়ির ইনচার্জ রেজাউল কবির বর্ষণ জানান, ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। ২৪ তারিখ মারামারির ঘটনায় একটি মামলা হয়। এখন যেহেতু আহত ব্যক্তি মারা গেছেন, সে জন্য এটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হবে।