করোনাভাইরাস প্রতিরোধকালে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ব্যাংক শাখার বাইরে ভাতাভোগীদের সাপ্তাহিক ছুটির দিনে শনিবার সকাল থেকে প্রতিবন্ধী ও বৃদ্ধদের ভাতা প্রদান করার কথা সোনালী ব্যাংক শমশেরনগর শাখার। এসময় কুলাউড়া উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় প্রাঙ্গনে ১২০০ জন ভাতাভোগীর মাঝে ভাতা বিতরণ করা হয়। তবে ভাতা দেওয়ার উদ্যোগ নিলেও ভাতাভোগীরা কোনভাবেই সামাজিক দূরত্ব মানেননি।
সোনালী ব্যাংক শমশেরনগর শাখা ব্যবস্থাপক প্রিন্সিপাল অফিসার রিপন মজুমদার দেশ রূপান্তরকে বলেন, করোনা দুর্যোগের সময় এক সাথে সহস্রাধিক মানুষের মাঝে ব্যাংক শাখায় ভাতা প্রদান ঝুঁকিপূর্ণ। তাই গত ৬ মে বুধবার শমশেরনগর চা বাগান মাঠে এ ইউনিয়নের ১৬০০ ভাতাভোগীর মাঝে ভাতা প্রদান করা হয়েছে। শনিবার কুলাউড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী শরীফপুর ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে ১২০০ বৃদ্ধ ও প্রতিবন্ধী ভাতাভোগীর মাঝে ভাতা প্রদান করা হয়।
তিনি আরও বলেন, এই দুর্যোগকালে ভাতাভোগীরা অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে সিএনজি অটোয় করে ব্যাংক শাখায় আসার চেয়ে তার নিজ এলাকায় ব্যাংকের লোকজন গিয়ে ভাতা দিলেন। ব্যাংকের বাইরে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে শমশেরনগরে খেলার মাঠে ও শরীফপুর ইউনিয়ন পরিষদের সামনের খোলা প্রাঙ্গনে ভাতা দেওয়ার উদ্যোগ নিলেও ভাতাভোগীরা কোনভাবেই সামাজিক দূরত্ব মানেনি। তারা গাদাগাদি করে লাইনে দাঁড়িয়ে ভাতা নিলেন।
শরীফপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. জুনাব আলী দেশ রূপান্তরকে বলেন, সোনালী ব্যাংক কর্মকর্তা ও ইউনিয়ন পরিষদ থেকে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য। কিন্তু কোনভাবেই ভাতাভোগীদের অসচেতনতার কারণে এ উদ্যোগ সফল করা যায়নি।