মহামারিতেও থেমে নেই রাসায়নিকে আম পাকান, পচা খেজুর বিক্রি

করোনাভাইরাসের প্রকোপে আতঙ্কিত বিশ্ব।পৌনে তিন লাখের বেশি মানুষ এরমধ্যেই মারা গেছে এ মহামারিতে। এ থেকে পরিত্রাণের উপায়ও জানা নেই কারো। এর মধ্যেও থেমে নেই রাসায়নিকে আম পাকানো কিম্বা পচা খেজুর বিক্রি। 

রাজধানীতে মৌসুম শুরুর আগেই রাসায়নিক দিয়ে আম পাকানোর অভিযোগে ও মেয়াদোত্তীর্ণ খেজুর বিক্রির অপরাধে ১২টি আড়তকে ৪১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। 

এ সময় দুজনকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। 

রবিবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত বাদামতলীর বিভিন্ন আড়তে এ অভিযান চালান র‌্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম। 

তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, গত প্রায় এক সপ্তাহ আগে থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন আড়তে বিভিন্ন জাতের পাকা আম বিক্রি হচ্ছে। অথচ কোনো জাতের আমই এখনও পরিপক্ব হয় নি। কৃষি বিভাগের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী কোনো জাতের আম এখনও বাজারজাত করার সময়ই হয়নি। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-১০ ও কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তরের সহায়তায় রাজধানীর বাদামতলীতে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। 

তিনি বলেন, অভিযানের সময় দেখা যায় সাতক্ষীরা, রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে বিভিন্ন জাতের অপরিপক্ব আম ক্যালসিয়াম কার্বাইড দিয়ে পাকিয়ে বিক্রি করছে। আমগুলো বাইরে হলুদ টসটসে কিন্তু কাটার পর দেখা যায় ভেতরে একদম অপরিপক্ব, এমনকি আঁটি একেবারে নরম। এ অপরাধের কারণে ১০ আমের আড়তে অভিযান চালিয়ে ২৫ লাখ টাকা জরিমানা ও দুজনকে এক বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এছাড়া মেয়াদ উত্তীর্ণ পচা খেজুর পুনরায় নতুন প্যাকেটে ভরে মেয়াদ বাড়িয়ে বাজারজাত করার অপরাধে আল্লাহর দান ফুড প্রডাক্টসকে ১০ লাখ ও রুবিনা এন্টারপ্রাইজকে ৬ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।