নদীতে মাছ ধরা নিয়ে আ.লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ১২

শরীয়তপুরের গোসাইরহাট কুচাইপট্টি ইউনিয়নে এলাকায় নদীতে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটসা ঘটেছে।

এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়েছে। আহতদের গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ডামুড্যা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, নদীতে মাছ ধরা নিয়ে কুচাইপট্টি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোকা ব্যাপারী ও সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজ সরদারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। রবিবার সন্ধ্যায় কুচইপট্টি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজ সরদারের নেতৃত্বে একদল লোক খোকা ব্যাপারীর বাড়িতে হামলা চালায়।

পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় খোকা ব্যাপারীর সমর্থক মাহবুব পাটোয়ারী, বাবুল হাওলাদার ও জাকু ফকিরসহ ৮জন আহত হয় এবং মোস্তাফিজ সরদারের সমর্থক ৪ আহত হয়। আহতদের ডামুড্যা উপজেলা ও গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

কুচাইপট্টি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোকা ব্যাপারী জানান, আমার ভাই কুচাইপট্টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের পর থেকেই মোস্তাফিজ সরদার আমার ভাইয়ের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হওয়ার পর থেকেই নানাভাবে আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। গতকাল পরিকল্পিতভাবে দেড় দুই শাতাধিক সন্ত্রাসী নিয়ে আমাদের পুরান বাড়িতে হামলা চালায়। এ হামলায় আমাদের ৭/৮ জন আহত হয়েছে। গোসাইরহাট থানায় ফোন দিলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজ সরদার বলেন, নদীতে মাছ ধরা জেলেদের মাঝে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় খোকা ব্যাপারীর সন্ত্রাসীরা আমার লোকজনের উপর হামলা চালিয়েছে। এতে ৩/৪ জন আহত হয়েছে। তাদের গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

গোসাইরহাট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা সোহেব আলী জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও নদীতে মাছ ধরা নিয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি। কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় এখানো মামলা হয়নি।