করোনাভাইরাস প্রতিরোধে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় চলছে লকডাউন। হাট-বাজার, দোকান-পাট, কল-কারখানা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠন বন্ধ থাকায় খেটে খাওয়া মানুষগুলো বেকার হয়ে পড়েছেন।
এসব কর্মহীন মানুষদের অনেকের ঘরেই দেখা দিয়েছে খাদ্য সংকট।
এমন পরিস্থিতিতে বিপন্ন মানুষগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছেন দুমকি থানা অফিসার ইনচার্জ মো. মেহেদী হাসান।
তিনি উপজেলায় খুঁজে খুঁজে প্রকৃত খেটে খাওয়া দিনমজুর অসহায়দের ঘরে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন।
প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার সকালে উপজেলা শ্রীরামপুর ইউনিয়নের হাসিনা বেগম ও লেবুখালী ইউনিয়নের চানবরু বেগমের ঘরে ১০ দিনের খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেন ওসি মেহেদী হাসান।
হাসিনা বেগমের সংসার চলতো বিভিন্ন স্কুলের সামনে ঝালমুড়ি বিক্রি করে। করোনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তাই এখন আর ঝালমুড়ি বিক্রি করতে পারছেন না তিনি।
এদিকে সরকারি কোনো সাহায্যও পাননি। হাসিনার মতো এমন অনেক অসহায় রয়েছে। পটুয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মইনুল হাসান'র নির্দেশনায় তাদের খুঁজে খুঁজে দুমকি থানা পুলিশ খাদ্য সহায়তা প্রদান করছেন।
ওসি মো. মেহেদী হাসান বলেন, যারা প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত এবং এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি সাহায্য পাননি। আমরা তাদের ঘরে ঘরে গিয়ে এসব নিত্যপণ্য পৌঁছে দিচ্ছি। যাতে করে এরা ঘরে বসে কিছুদিন খেতে পারে।