জাতিংসঘের নিরাপত্তা পরিষদের ৫ অস্থায়ী সদস্য দেশ নির্বাচন করতে ইলেকট্রনিক ভোট (ই-ভোট) নেওয়া হবে না। গোপন ব্যালট পেপারেই সাধারণ পরিষদের সদস্য দেশগুলোকে ভোট দিতে হবে বলে জানিয়েছেন পরিষদের প্রেসিডেন্ট তিজানি মোহাম্মদ-বন্দে।
এএফপির খবরে বলা হয়েছে, সদস্য দেশগুলোর কাছে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। সেই চিঠিতে তিজানি বলেছেন, ভোটকেন্দ্র পর্যবেক্ষণ করতে নির্ধারিত সময়ে ভোটারদের আমন্ত্রণ জানানো হবে।
এশিয়ার একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে ভারত কাউন্সিলে জায়গা পাকা করেছে। লাতিন আমেরিকা থেকে আছে মেক্সিকো। আরও দুটি আসনের জন্য প্রতিযোগিতা হবে আয়ারল্যান্ড, নরওয়ে এবং কানাডার ভেতর। অন্যদিকে আফ্রিকার একমাত্র প্রতিনিধি হতে প্রতিযোগিতায় নামবে কেনিয়া এবং উত্তর-পূর্ব আফ্রিকার দেশ জিবুতি।
আগামী ১৭ জুন এই ভোট হওয়ার কথা। কিন্তু চিঠিতে নির্দিষ্ট তারিখের উল্লেখ না করে শুধু জুন মাসের কথা বলা হয়েছে। তার মানে পরিস্থিতি অনুযায়ী ভোটের তারিখ বদলে যেতে পারে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, সাধারণ পরিষদের ১৯৩ সদস্য দেশ এক সঙ্গে আলোচনায় না বসেই গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেবে।
কোনো স্থানের কথা চিঠিতে উল্লেখ নেই। তবে ধারণা করা হচ্ছে জাতিসংঘের হেডকোয়ার্টারেই হবে।
স্বাভাবিক সময়ে নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী ১০ দেশের মধ্য পাঁচটিকে নির্বাচন করতে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ধারাবাহিক ভোট হয়। বার্ষিক এই ভোট হয় সাধারণ পরিষদের প্রধান হলরুমে।
কিন্তু কয়েক সপ্তাহ ধরে সাধারণ পরিষদের সদস্যরা বলছেন, তাদের গোপন ব্যালট যেকোনো সময় প্রকাশিত হতে পারে। আবার ই-ভোটে কারচুপিও হতে পারে। এমন আলোচনার ভেতর মূলত ভোট প্রক্রিয়া নিয়ে দোটানা শুরু হয়।
জাতিসংঘ দুটি পরিষদে তার কার্যক্রম পরিচালিত করে থাকে। এর একটি নিরাপত্তা পরিষদ। আরেকটি সাধারণ পরিষদ।
নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্য ৫টি আর অস্থায়ী সদস্য ১০টি। স্থায়ী সদস্যরা হলো- যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স, চীন এবং রাশিয়া।
নির্দিষ্ট অঞ্চল থেকে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যদের নির্বাচন করতে প্রতি বছর ৫টি করে দেশের ভোট হয়।