নীলফামারীতে নতুন করে মা-ছেলে ও দুই স্বাস্থ্যকর্মীসহ আরও সাত জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মোট শনাক্তের সংখ্যা ৬১ জনে দাঁড়িয়েছে। গত শুক্রবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিভিল সার্জন ডা. রণজিৎ কুমার বর্মণ।
শুক্রবার শনাক্ত হওয়াদের মধ্যে ডোমার উপজেলায় মা-ছেলেসহ তিনজন, কিশোরগঞ্জ উপজেলায় একজন স্বাস্থ্যকর্মী, জলঢাকা উপজেলায় এক তরুণ, সৈয়দপুরে এক ব্যাংক কর্মকর্তা ও এক এনজিও কর্মকর্তা রয়েছেন। সৈয়দপুরে সার্প নামে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) কার্যালয় লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, গত ১০ মে ওই সাত ব্যক্তির করোনা সন্দেহে নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়। শুক্রবার তাদের নমুনার ফলাফলে করোনা পজিটিভ আসে।
ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম জানান, ডোমার উপজেলায় মোট তিনজনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এরা হলো উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্টোরকিপার (৫০) এবং হরিণচাড়া ইউনিয়নের ৫৭ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা ও তার ৩০ বছর বয়সী ছেলে। ওই মা-ছেলে ঢাকা থেকে করোনার উপসর্গ নিয়ে এলাকায় ফিরেন। শুক্রবার তাদের ফলাফল করোনা পজিটিভ আসে। আক্রান্ত মা-ছেলেকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশনে নেওয়া হচ্ছে। আর স্টোরকিপারকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে।