দেশে ১৫ থেকে ২১ মার্চ পর্যন্ত করোনা উপসর্গ নিয়ে তিনজনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়। পরের সপ্তাহে এ সংখ্যা দাঁড়ায় ছয়জনে। পরের সপ্তাহে ১৯৩, ১৭৬ ও ২২৩ জন করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা যায়। তবে এরপর তা কমতে থাকে। সর্বশেষ দুই সপ্তাহে ছিল এ ধরনের মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ১৪০ ও ৮৯।
করোনা পরিস্থিতি নিয়ে দেশের ২৫টি গণমাধ্যমের সংবাদ বিশ্লেষণ করে আজ মঙ্গলবার এসব তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ পিস অবজারভেটরি (বিপিও)। এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর জেনোসাইড স্টাডিজের (সিজিএস) একটি প্রকল্প। জাতিসংঘের সংস্থা ইউএনডিপির আর্থিক সহায়তায় কয়েকটি বিষয় নিয়ে কয়েক বছর ধরে নিয়মিত প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছে বিপিও।
গবেষণা প্রতিবেদন বলছে, করোনা রোগীর মতো উপসর্গ নিয়ে মারা গেলেও তারা করোনা আক্রান্ত নাও হতে পারেন। একটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসব ক্ষেত্রে পরীক্ষ করে ৮৫ শতাংশের করোন পাওয়া যায়নি।
গবেষকেরা বলছেন, দৈনিক সংবাদ পত্র জাতীয় ও আঞ্চলিক, টেলিভিশন, অনলাইন মিলে ২৫টি গণমাধ্যম থেকে প্রতিদিন তথ্য নিচ্ছেন তারা। এরপর এসব তথ্য থেকে মোটামুটি গ্রহণযোগ্যটা চূড়ান্ত করা হচ্ছে। তবে মাঠপর্যায় থেকে এসব তথ্য যাচাই করা হয় না। এমনকি মারা যাওয়ার পরে করোনা পরীক্ষার ফলাফলও এতে যুক্ত হয় না।
তারা জানায়, ৮ মার্চ থেকে ১৬ মে পর্যন্ত ১০১০ জনের করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে।সর্বশেষ এক সপ্তাহে এমন উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ৭৮ জন।